রামপালে প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফারিদুল ইসলামের সম্মানে গণসংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল
আরিফ গজনবী
প্রতিনিধি, রামপাল (বাগেরহাট)
১ মার্চ ২০২৬
রামপাল উপজেলার গিলাতলায় বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফারিদুল ইসলাম–এর সম্মানে গণসংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে কয়েক হাজার মানুষের সমাগম ঘটে।
গিলাতলা সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিকেল থেকেই বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়ী এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা প্রতিমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি (অব.) শেখ ওমর ফারুক। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, ড. শেখ ফারিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সরকার আরও গতিশীল ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি আশাবাদী।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রতিমন্ত্রী পরিবেশ সংরক্ষণ, বনসম্পদ রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন। বিশেষ করে উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটসহ দক্ষিণাঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়, জলাবদ্ধতা ও লবণাক্ততার মতো পরিবেশগত ঝুঁকি মোকাবিলায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পরিবেশবান্ধব নীতি বাস্তবায়নে তাঁর নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলেও বক্তারা উল্লেখ করেন।
প্রতিমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা, পরিবেশ সুরক্ষা কার্যক্রম এবং জলবায়ু সহনশীল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা বর্তমান সময়ের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ এবং এ লক্ষ্যে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।
সংবর্ধনা পর্ব শেষে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ইফতারের আগে দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। উপস্থিত মুসল্লিরা দেশের স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে সুরক্ষার জন্য প্রার্থনা করেন।
সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে কয়েক হাজার মানুষের উপস্থিতি রামপালজুড়ে ব্যাপক সাড়া ফেলে। আয়োজকরা জানান, এ ধরনের আয়োজন জনগণের সঙ্গে জনপ্রতিনিধিদের সরাসরি যোগাযোগ সুদৃঢ় করে এবং উন্নয়ন কার্যক্রমে জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করে।
