
জামাল উদ্দিন
লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি–কমলনগর) আসন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর স্থানীয় জনগণের নতুন দাবি উঠেছে—এবার তাঁকে মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হোক।
লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি ও কমলনগর উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতে, তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই জনপ্রিয় নেতা দীর্ঘদিন ধরে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থেকেছেন এবং সংসদ সদস্য হিসেবে অবকাঠামো উন্নয়ন, চরাঞ্চলের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তাঁর সাম্প্রতিক হ্যাট্রিক জয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লার আলোচনায় তাঁকে ‘মন্ত্রী’ হিসেবে দেখার দাবি জোরালো হয়েছে।
স্থানীয় ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, তিনবারের নির্বাচনী বিজয় এবং উপকূলীয় অঞ্চলের বাস্তব সমস্যা সম্পর্কে গভীর ধারণা তাঁকে মন্ত্রিসভার জন্য যোগ্য করে তুলেছে। বিশেষ করে মেঘনা নদীর ভাঙন রামগতি-কমলনগরের অন্যতম প্রধান সমস্যা হওয়ায় এলাকাবাসীর বিশ্বাস, তিনি মন্ত্রী হলে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ ও উপকূলীয় উন্নয়ন কার্যক্রম আরও দ্রুত এগিয়ে যাবে।
উপজেলা বিএনপির একাধিক অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা বলেন, “তিনি দলের দুঃসময়ে নেতা-কর্মীদের আগলে রেখেছেন এবং এলাকার উন্নয়নে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন। রামগতি-কমলনগরের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা—এবার আমাদের এলাকা থেকে একজন মন্ত্রী আসুক, যাতে বৃহত্তর নোয়াখালী ও উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হয়।”
এখন দেখার বিষয়, রামগতি ও কমলনগরবাসীর এই দাবি কেন্দ্রীয় পর্যায়ে কতটা গুরুত্ব পায়। তবে স্থানীয়দের আশা, দলের নীতিনির্ধারক মহল তৃণমূলের এই প্রত্যাশাকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবে।