প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ৯, ২০২৬, ৭:২১ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ এপ্রিল ৯, ২০২৬, ২:৪০ অপরাহ্ণ
মাদক ব্যবসা ও সেবনে বাধা দেওয়ায় সাবেক সেনা সদস্যের ওপর হামলা

মাদক ব্যবসা ও সেবনে বাধা দেওয়ায় সাবেক সেনা সদস্যের ওপর হামলা
মোঃ মেহেদী হাসান, ফরিদপুর প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় মাদক ব্যবসা ও সেবনে বাধা দেওয়ায় মো. সহিদুল ইসলাম সোহেল (৪৬) নামের এক সাবেক সেনা সদস্যের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সালথা সদর বাজারের জননী সুপার মার্কেটের দোতলায় অবস্থিত তার পরিচালিত ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহত সহিদুল ইসলাম সোহেল উপজেলা সদরের সালথা পাড়ার দাউদ শিকদারের ছেলে। তিনি সালথা ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক এবং কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) সালথা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক। এ ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।
ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ফুটেজে দেখা যায়, তিন যুবক লাঠিসোটা দিয়ে সহিদুল ইসলাম সোহেলের ওপর হামলা চালাচ্ছে। তিনি হামলা ঠেকানোর চেষ্টা করলেও হামলাকারীরা বেপরোয়া হয়ে ওঠে। এ সময় কয়েকজন তাদের থামানোর চেষ্টা করলেও তারা আরও উত্তেজিত হয়ে মারধর করতে থাকে।
আহত সহিদুল ইসলাম সোহেল জানান, মার্কেটের নিচতলায় একটি কসমেটিকস দোকানের সামনে নুরু বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তি মাদক বিক্রি ও সেবন করছিলেন। বুধবার সন্ধ্যায় তিনি এতে বাধা দিলে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে স্থানীয় মুরব্বিরা বিষয়টি মীমাংসা করেন। কিন্তু রাত সাড়ে ৮টার দিকে ভাওয়াল গ্রামের আলী বিশ্বাসের ছেলে নুরু বিশ্বাস (৩৫), শামীম বিশ্বাস (২৪) এবং জামাল মাতুব্বরের ছেলে সোহেল মাতুব্বর (২৩)সহ কয়েকজন সহযোগী লাঠিসোটা ও পাইপ নিয়ে তার ক্লিনিকে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায়। তিনি ঘটনার বিচার দাবি করেন।
ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা সার্কেল) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে হামলাকারীরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।
© All rights reserved 2026 আমার সকাল ২৪ (পত্রিকা)