প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ৬, ২০২৬, ১:১৫ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ এপ্রিল ৬, ২০২৬, ৯:৪০ পূর্বাহ্ণ
ভোগান্তি আর রোদে পুড়ে অপেক্ষা, স্বস্তি শুধু তেল প্রাপ্তিতে

ভোগান্তি আর রোদে পুড়ে অপেক্ষা, স্বস্তি শুধু তেল প্রাপ্তিতে
শাহিনুর রহমান, পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় দিনাজপুরের পার্বতীপুরে জ্বালানি তেলের সংকট কাটছে না। প্রতিদিনই পেট্রোল ও অকটেনের জন্য বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে গ্রাহকদের। তীব্র রোদ কিংবা সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলেও অপেক্ষার অবসান হচ্ছে না—তেল পেলেই মিলছে স্বস্তি।
উপজেলার ১১টি পেট্রোল পাম্পে নিয়োগকৃত ট্যাগ অফিসারদের উপস্থিতিতে সীমিত পরিসরে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটও সার্বিক কার্যক্রম তদারকি করছেন। সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া সরবরাহ কার্যক্রমে সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন আরও বাড়ছে। ডিপো থেকে বরাদ্দকৃত তেল শেষ হয়ে গেলেও পাম্পের সামনে মোটরসাইকেল নিয়ে অপেক্ষমাণ গ্রাহকদের ভিড় কমছে না।
পৌর শহরের বাস টার্মিনাল সংলগ্ন একটি ফিলিং স্টেশনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চলতি ১ এপ্রিল থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত পেট্রোল সরবরাহ পাওয়া গেছে প্রায় ৯ হাজার লিটার এবং অকটেন ৬ হাজার লিটার। সংকটের কারণে মোটরসাইকেল প্রতি সর্বোচ্চ ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া কার, জিপ ও মাইক্রোবাসে সর্বোচ্চ ৪০ লিটার করে পেট্রোল-অকটেন সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে বাস ও ট্রাকে চাহিদামতো ডিজেল সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।
দিনাজপুর জেলা পেট্রোল পাম্প ও জ্বালানি তেল পরিবেশক মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এবং পার্বতীপুরের বার্মা ফিলিং স্টেশনের মালিক রজব আলী সরকার বলেন, পেট্রোল-অকটেন নিয়ে অযথা আতঙ্ক বা হইচই করার কিছু নেই। এটি মজুত করে রাখার মতো পণ্য নয়। কেউ কেউ ব্যক্তিগতভাবে মজুত করার চেষ্টা করছেন, যা পরিস্থিতিকে জটিল করছে। তবে পাম্পগুলোতে তেল থাকা পর্যন্ত তা গ্রাহকদের মধ্যে সরবরাহ করা হচ্ছে।
© All rights reserved 2026 আমার সকাল ২৪ (পত্রিকা)