
ভোটাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করা হবে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।
রাজনৈতিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় ঐক্য গঠন করা জরুরি বলে মত দিয়েছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স।
সামাজিক সুরক্ষা, কর্মসংস্থান ও উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।
বিগত সময়ে প্রশাসনে দলীয়করণের অভিযোগ রয়েছে। সাবেক জনপ্রশাসন সচিব এ কে এম আব্দুল আউয়াল মজুমদার মনে করেন, আমলাতন্ত্র ঢেলে সাজানো না গেলে সরকারের কার্যক্রম ব্যাহত হবে।
রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা রক্ষায় রাজনৈতিক ঐক্য অপরিহার্য।
উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি, রিজার্ভ সংকট ও ব্যাংক খাতের দুর্বলতা বড় চ্যালেঞ্জ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর অধ্যাপক ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ মনে করেন, রাজস্ব কাঠামো সংস্কার ও করস্ল্যাব পুনর্বিন্যাস জরুরি।
বাজার ব্যবস্থায় কাঠামোগত পরিবর্তন ছাড়া মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ কঠিন হবে।
দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে আইনের শাসন ও নীতিগত স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হবে।
ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা নতুন সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে। বিশিষ্ট কূটনীতিক এম হুমায়ুন কবীর পেশাদার কূটনীতির ওপর জোর দিয়েছেন।
রাষ্ট্রকে ‘ঘর’ আর আমলাতন্ত্রকে ‘খুঁটি’ আখ্যা দিয়ে বিশ্লেষকরা বলেছেন—খুঁটি শক্ত না হলে উন্নয়ন টেকসই হবে না।