
দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। সর্বশেষ ঘোষণায় জানানো হয়েছে, রোববার ১৮ জানুয়ারি থেকে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দামে। তবে এ দফায় রুপার দামে কোনো পরিবর্তন আসেনি।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ১৪ জানুয়ারি রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দামের ঘোষণা দেয়। এতে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৬২৫ টাকা বাড়ানো হয়। বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই সমন্বয় করা হয়েছে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৮০ টাকায়, যা এখন পর্যন্ত স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম। একই সঙ্গে ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৮৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ১ লাখ ৫৭ হাজার ২৩১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ হবে। গহনার নকশা ও মান অনুযায়ী মজুরি বাড়তে বা কমতে পারে।
এর আগে চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। সেদিন ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়, যা ১৩ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছিল।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত স্বর্ণের দাম মোট ৭ বার সমন্বয় হয়েছে। এর মধ্যে ৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ২ বার কমানো হয়েছে। আর ২০২৫ সালে স্বর্ণের দাম মোট ৯৩ বার সমন্বয় হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বৃদ্ধি এবং ২৯ বার দাম হ্রাস করা হয়েছিল।
অন্যদিকে, স্বর্ণের দাম বাড়লেও রুপার বাজারে কোনো পরিবর্তন হয়নি। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৯৪৯ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেট ৫ হাজার ৭১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৬৭৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
চলতি বছরে রুপার দাম মোট ৪ বার সমন্বয় হয়েছে, যার মধ্যে ২ বার বৃদ্ধি ও ২ বার হ্রাস করা হয়েছে। ২০২৫ সালে রুপার দাম মোট ১৩ बार সমন্বয় হয়েছিল, যার মধ্যে ১০ বার বৃদ্ধি এবং ৩ বার কমানো হয়েছিল।