
নিউজ ডেস্ক , আমার সকাল ২৪
বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ২৩ প্রার্থীর মধ্যে ১৪ জন প্রার্থী প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী মোট বৈধ ভোটের এক-অষ্টমাংশের কম ভোট পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়ে সরকারি কোষাগারে জমা হবে।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য নিশ্চিত করেন বাগেরহাট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবু আনছার।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মোট প্রার্থীর মধ্যে সংখ্যার হিসাবে অর্ধেকের বেশি—প্রায় ৬০ দশমিক ৮৬ শতাংশ প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। চারটি আসনের মধ্যে বাগেরহাট-১ আসনে ৬ জন, বাগেরহাট-২ আসনে ১ জন, বাগেরহাট-৩ আসনে ৩ জন এবং বাগেরহাট-৪ আসনে ৪ জন প্রার্থী জামানত হারান।
বাগেরহাট-১:
আট প্রার্থীর মধ্যে ছয়জন জামানত হারান। তাদের মধ্যে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা এমএএইচ সেলিম (৫,২৮৩ ভোট), স্বতন্ত্র প্রার্থী মাসুদ রানা (৬,৪৬৭ ভোট), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (বিএমএল)-এর আ. সবুর শেখ (১৬৭ ভোট) ও এমডি শামসুল হক (২৪২ ভোট), আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি)-এর মো. আমিনুল ইসলাম (২৯১ ভোট) এবং জাতীয় পার্টি-এর স ম গোলাম সরোয়ার (৫৭১ ভোট)।
বাগেরহাট-২:
চার প্রার্থীর মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রার্থী অ্যাডভোকেট আতিয়ার রহমান (৩,৩১৩ ভোট) জামানত হারান। এ আসনে মোট বৈধ ভোট ছিল ২,৩৭,৩৯৬।
বাগেরহাট-৩:
পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে তিনজন জামানত হারান। তারা হলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী এমএএইচ সেলিম (৪২৫ ভোট), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ জিল্লুর রহমান (৩,৬৪০ ভোট) এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি)-এর মো. হাবিবুর রহমান মাস্টার (৩৪৯ ভোট)। এ আসনে মোট বৈধ ভোট ছিল ১,৯০,৬২৫।
বাগেরহাট-৪:
ছয় প্রার্থীর মধ্যে চারজন জামানত হারান। তারা হলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী খায়রুজ্জামান শিপন (২২৯ ভোট), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. ওমর ফারুক (৮,৫০১ ভোট), জাতীয় পার্টির সাজন কুমার মিস্ত্রি (১,১৪৭ ভোট) এবং জেএসডির মো. আ. লতিফ খান (৩১৫ ভোট)।
উল্লেখ্য, কাজী খায়রুজ্জামান শিপন নির্বাচনী প্রচার শেষে ১০ ফেব্রুয়ারি সংবাদ সম্মেলনে নিজের ও দলীয় কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার ঘোষণা দিয়েছিলেন।