
ইনকিয়াদ আহম্মেদ রাফিন, ঝিকরগাছা উপজেলা প্রতিনিধি
যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানা মুন্নীকে পৃথক দুটি কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। আগামী ২৯ জানুয়ারি তিনি সশরীরে অথবা মনোনীত উপযুক্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে লিখিত ব্যাখ্যা দাখিল করবেন।
নোটিশ প্রদান করেন নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির প্রধান গোলাম রসুল। একই সঙ্গে ঝিকরগাছা ও চৌগাছা থানার অফিসার ইনচার্জকে নোটিশ জারিপূর্বক প্রতিবেদন কমিটিতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনী অভিযোগ নং–০১/২০২৬ অনুযায়ী, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. মো. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদের প্রেস সেক্রেটারি তারিকুল ইসলাম তারেকের লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, ২৫ জানুয়ারি ঝিকরগাছা পৌরসভার কীর্তিপুর গ্রামে ধানের শীষের প্রতীকের কর্মীরা নারী ভোটারদের উপর হামলা চালান। অভিযোগে মোবাইল ফোন ভাঙচুর, ব্যাগ ছিনতাই ও প্রাণনাশের হুমকিসহ অন্তত ১০ জন নারী কর্মী আহত হওয়ার বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে যুবদল নেতা আরাফাত রহমান কল্লোলসহ ১০–১৫ জনের সংশ্লিষ্টতার কথাও উল্লেখ রয়েছে। এ ঘটনায় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধি–২০২৫-এর ১৫(গ) ও ১৫(ঘ) বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
নির্বাচনী অভিযোগ নং–০২/২০২৬-এ বলা হয়েছে, চৌগাছা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ধানের শীষের প্রার্থীর প্রচারণায় ব্যবহৃত রঙিন ফেস্টুন, ব্যানার ও পোস্টার দেয়ালে সাঁটানো অবস্থায় পাওয়া গেছে, যা আচরণবিধি–২০২৫-এর ৭(গ) ও ৭(ঙ) বিধি লঙ্ঘন।
এ বিষয়ে সাবিরা সুলতানা বলেছেন, “রঙিন পোস্টার ও ব্যানারগুলো অনেক আগের। বিএনপি বৃহৎ দল, অনেক কর্মী–সমর্থক নিজ উদ্যোগে এগুলো টাঙিয়েছে। নির্বাচন কমিশন সরানোর নির্দেশ দেয়ার পর থেকে আমি নিয়মিত নেতা–কর্মীদের সরানোর নির্দেশ দিচ্ছি। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। শোকজের জবাবও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে দেব।”