
মহম্মদপুর প্রতিনিধি (মাগুরা):
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার ধোয়াইল আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক রফিক মাস্টারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দালালির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন, ফলে তার কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন এলাকাবাসী।
অভিযোগ রয়েছে, সাংবাদিক না হয়েও সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে তিনি মহম্মদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি পদে নির্বাচন করেছিলেন, তবে সেখানে পরাজিত হন। বর্তমানে অধিকাংশ সময় তিনি উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদে ঘোরাফেরা করে বিভিন্ন ধরনের দালালি করছেন বলে স্থানীয়রা জানান।
এছাড়া ‘জুলাই যোদ্ধা’ বানিয়ে দেওয়ার কথা বলে জনপ্রতি প্রায় ২০ হাজার টাকা করে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এ পর্যন্ত অন্তত ১২ জনের কাছ থেকে তিনি টাকা নিয়েছেন।
অন্যদিকে, টাকার বিনিময়ে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের চেষ্টারও অভিযোগ উঠেছে রফিক মাস্টারের বিরুদ্ধে। জানা যায়, আনোয়ার প্রফেসরের মাধ্যমে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের বেতনের টাকা উত্তোলনের দায়িত্ব নেন রফিক মাস্টার ও তারা মাস্টার। এ বিষয়ে প্রায় ৪ লাখ টাকার লেনদেনের কথাও স্থানীয়দের মুখে শোনা যাচ্ছে।
এদিকে ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে গরিবদের জন্য বরাদ্দকৃত চাল বিতরণের টোকেন নিয়েও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। আনোয়ার প্রফেসরকে প্রায় ৫০টি টোকেন দেওয়া হলেও অনেকেই টোকেন পেয়েও চাল পাননি বলে অভিযোগ রয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। একই সঙ্গে অভিযুক্ত শিক্ষক রফিক মাস্টারের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।