
জিহাদুল ইসলাম
বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা
খুলনা জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছেন তরুণ ছাত্রনেতা মোঃ ইসমাইল হোসেন খান। দীর্ঘদিনের ত্যাগ, সংগ্রাম এবং মাঠপর্যায়ের সক্রিয় রাজনীতির কারণে তিনি এ পদে একজন শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছেন ইসমাইল হোসেন খান। ২০১২ সালে খুলনা সরকারি আযম খান কমার্স কলেজে কর্মী হিসেবে রাজনীতিতে যাত্রা শুরু করেন তিনি। এরপর ধাপে ধাপে সংগঠনের আস্থা অর্জন করে ২০১৪ সালে জলমা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ২০১৭ সালে বটিয়াঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক (সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে একাধিক মামলার সম্মুখীন হয়েছেন তিনি। ২০১৯ সালে রাজনৈতিক মামলায় পিতা-পুত্রসহ কারাভোগও করেন। বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক নির্যাতনের শিকার হলেও তিনি রাজপথে সক্রিয় থেকেছেন, যা তার ত্যাগী নেতৃত্বের পরিচয় বহন করে।
স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে খুলনার রাজপথে সম্মুখ সারিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন ইসমাইল হোসেন খান। জেলা ছাত্রদলে পদে না থাকলেও নিজস্ব কর্মী বাহিনী নিয়ে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন বলে জানান স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
শিক্ষাজীবনেও তিনি সফল। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন এবং বর্তমানে বিএল কলেজে প্রাইভেট মাস্টার্সে অধ্যয়নরত।
পারিবারিকভাবেও তিনি একটি রাজনৈতিক পরিবার থেকে উঠে এসেছেন। তার পিতা মরহুম মোফাজ্জেল হোসেন মফু ছিলেন খুলনা জেলা বিএনপির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য এবং বটিয়াঘাটা উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি। এছাড়া তার বড় বোন আয়েশা সিদ্দিকা সোনিয়া খুলনা জেলা মহিলাদলের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, “ইসমাইল হোসেন খান মাঠের রাজনীতিতে পরীক্ষিত, ত্যাগী ও নিবেদিত একজন নেতা। তাকে সাধারণ সম্পাদক করা হলে সংগঠন আরও গতিশীল হবে।”
করোনাকালসহ বিভিন্ন দুর্যোগে মানবিক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে ছাত্রদলকে মানবিক সংগঠন হিসেবে তুলে ধরতেও ভূমিকা রেখেছেন তিনি।
সবকিছু বিবেচনায়, আসন্ন খুলনা জেলা ছাত্রদলের কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক পদে ইসমাইল হোসেন খান একজন যোগ্য ও শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন।