১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর অভিমুখে জামায়াতের দ্বিতীয় লংমার্চ
- আপলোডের সময় : Friday, September 11, 2026,

১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর অভিমুখে জামায়াতের দ্বিতীয় লংমার্চ
নিজস্ব প্রতিবেদক
আমার সকাল ২৪
ঢাকা
আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর অভিমুখে দ্বিতীয় লংমার্চ করবে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। এর আগে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত প্রথম লংমার্চ কর্মসূচি পালন করেছে জোটটি। ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবেই রংপুরের উদ্দেশে দ্বিতীয় লংমার্চ করা হবে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ তথ্য জানান।
লংমার্চ কোনো একক দাবিতে করা হয়নি জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বৈষম্য দূরীকরণ, মানুষের জীবনযাত্রা, শিল্প, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতসহ বিভিন্ন বিষয়ে একাধিক দাবি নিয়ে তারা কর্মসূচি পালন করছেন। একই সঙ্গে খুনিদের বিচারের দাবিকে জনগণ ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের দাবি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রথম লংমার্চে গাড়িবহর নিয়ে যাওয়ার সমালোচনার বিষয়ে জামায়াতের আমির বলেন, তারা গাড়িবহর নিয়েই চট্টগ্রামে গিয়েছিলেন। তবে কর্মসূচিকে প্রতীকী রাখতে পরিকল্পিতভাবেই বহর সীমিত রাখা হয়েছিল।
ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত প্রথম লংমার্চে সাধারণ মানুষের ব্যাপক সাড়া পাওয়ার দাবি করে তিনি বলেন, পথে পথে মানুষের বিপুল উপস্থিতি ও সমর্থন তাদের অভিভূত করেছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, অংশ নেওয়া সবাই দলীয় কর্মী ছিলেন না; সাধারণ মানুষও এতে সাড়া দিয়েছেন।
খুনিদের বিচারের দাবির প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এটি শুধু তাদের দলের দাবি নয়, শহীদদের মা-বাবা ও সাধারণ মানুষেরও দাবি। জনগণ এ দাবির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
দ্বিতীয় লংমার্চের বিষয়ে তিনি বলেন, প্রথম কর্মসূচি একটি রুটে হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য রুটেও কর্মসূচি পালন করা হবে। এর অংশ হিসেবে ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুরের দিকে দ্বিতীয় লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে।
লংমার্চে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়নি দাবি করে তিনি বলেন, পুরো কর্মসূচি সুশৃঙ্খল ছিল এবং এতে বড় ধরনের জনদুর্ভোগ হয়নি। তারপরও সামান্য কোনো অসুবিধা হয়ে থাকলে জনগণের কাছে ক্ষমা ও দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।
এসব কর্মসূচি কোনো দল বা গোষ্ঠীর স্বার্থে নয় দাবি করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তারা জনস্বার্থের দাবিতে কর্মসূচি পালন করছেন। কাউকে উৎখাত বা কাউকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য এসব কর্মসূচি নয়। জনগণের প্রত্যাশা বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই তারা আন্দোলন করছেন বলে জানান তিনি।
সাংবাদিকদের দেশের স্বার্থে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিরোধী দল হিসেবে সাংবাদিকরা তাদের সহযোগিতা ও সমালোচনা—দুটিই করবেন বলে তারা প্রত্যাশা করেন। কোনো ভুল হলে তা তুলে ধরার পাশাপাশি জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে নেওয়া কর্মসূচিগুলোও জনগণের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।
সরকারের সঙ্গে আলোচনার প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা হয়েছে। সরকার জনগণের দাবিগুলো মেনে নিলে লংমার্চের প্রয়োজন হবে না। কর্মসূচিতে জনগণ ও নেতাকর্মীদের কিছুটা কষ্ট ও ত্যাগ স্বীকার করতে হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার দাবি মেনে নিলেই এ পরিস্থিতির অবসান ঘটতে পারে।



















লেখাটি আপনার কেমন লাগলো?
মন্তব্য করতে সাইন-আপ বা লগইনের প্রয়োজন নেই - সরাসরি আপনার মতামত লিখুন।