সৌদি আরবে ফ্যাশন অ্যান্ড টেক্স এক্সপোতে বাংলাদেশের ১১ প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ
- আপলোডের সময় : Friday, September 25, 2026,

সৌদি আরবে ফ্যাশন অ্যান্ড টেক্স এক্সপোতে বাংলাদেশের ১১ প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ
সৌদি আরবের জেদ্দায় শুরু হয়েছে চার দিনব্যাপী চতুর্থ ‘সৌদি ফ্যাশন অ্যান্ড টেক্স এক্সপো ২০২৬’। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) আর্থিক সহায়তা এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ কনসুলেট জেনারেল-এর সার্বিক সহযোগিতায় বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক এ বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন করা হয়। মেলা চলবে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
জেদ্দা ইন্টারন্যাশনাল এক্সিবিশন অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এক্সপোটির উদ্বোধন করেন জেদ্দা চেম্বার অব কমার্সের ভাইস চেয়ারম্যান ইমাদ মোহাম্মদ আল আবউদ।
পরে জেদ্দায় নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং সৌদি ফেডারেশন অব চেম্বারের সদস্য ও সৌদি রিজিওনাল বিজনেস কাউন্সিল ফর সাউথ ইস্ট এশিয়ার এক্সিকিউটিভ বোর্ড মেম্বার ওসামা কোউকানদি যৌথভাবে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নের উদ্বোধন করেন।
এ সময় মিনিস্টার (কমার্শিয়াল) সৈয়দা নাহিদা হাবিবা, বাংলাদেশ কনসুলেট জেনারেলের কর্মকর্তারা, সৌদি ব্যবসায়ী, আমদানিকারক, প্রবাসী ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পিরামিডস গ্রুপের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এবারের এক্সপোতে বিশ্বের ২৫টিরও বেশি দেশের প্রায় ১০ হাজার বাণিজ্যিক দর্শনার্থী ও ক্রেতা অংশ নিচ্ছেন। মেলায় ৫৫০টিরও বেশি বুথে বিভিন্ন দেশের প্রতিষ্ঠান তাদের আধুনিক গার্মেন্টস, ফ্যাশন ও টেক্সটাইল পণ্য প্রদর্শন করছে।
এবারের মেলায় বাংলাদেশ থেকে ১১টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—জাকারিয়া নিটওয়্যার লিমিটেড, আলেয়া অ্যাপারেলস লিমিটেড, এমএস এএইচকিউ অ্যাপারেলস, মডেস্ট অ্যাটায়ার বাই জাহান, ইতন ফ্যাশনস লিমিটেড, স্বপ্নীল হাউজ, বনুম গার্মেন্টস লিমিটেড, বেল বটম লিমিটেড, মার্কার, সাওদা ফ্যাশন ও আল নূর গার্মেন্টস লিমিটেড।
এ ছাড়া রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর উদ্যোগে বাংলাদেশি ঐতিহ্য, মানসম্মত উৎপাদন এবং রপ্তানিযোগ্য বিভিন্ন পণ্যের তথ্যসমৃদ্ধ চিত্র ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হচ্ছে। প্যাভিলিয়নে প্রদর্শিত এসব তথ্যচিত্র আন্তর্জাতিক ক্রেতা, ব্যবসায়ী ও দর্শনার্থীদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের বড় বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, ফ্যাশন ও টেক্সটাইল পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ এবং নতুন ক্রেতাদের সঙ্গে ব্যবসায়িক যোগাযোগ তৈরিতে এ মেলায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।



















লেখাটি আপনার কেমন লাগলো?
মন্তব্য করতে সাইন-আপ বা লগইনের প্রয়োজন নেই - সরাসরি আপনার মতামত লিখুন।