সিলেটে জলাশয় উদ্ধারে জোর, বন্যা ও জলাবদ্ধতা থেকে নগরবাসীকে সুরক্ষার উদ্যোগ
- আপলোডের সময় : Thursday, September 3, 2026,

সিলেটে জলাশয় উদ্ধারে জোর, বন্যা ও জলাবদ্ধতা থেকে নগরবাসীকে সুরক্ষার উদ্যোগ
আল আমিন সুমন আহমদ
সিলেট প্রতিনিধি
সিলেট নগরবাসীকে বন্যা ও জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে সুরক্ষা দিতে জলাশয় উদ্ধারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে নগরীর দরগা গেইট এলাকার একটি হোটেলের হলরুমে সিলেট সিটি করপোরেশন ও এসএনভি নেদারল্যান্ডস ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, একসময় সিলেট নগরীতে প্রায় ৯০০টি পুকুর ও ডোবা ছিল। এর বেশিরভাগই ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। পাশাপাশি সুরমা নদীর পানি ধারণক্ষমতাও কমেছে। নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা কার্যকর করতে সিটি করপোরেশন কাজ করছে।
তিনি বলেন, পানি প্রবাহের পথ হিসেবে ড্রেন ও ছড়াগুলো পরিষ্কার করা এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে নগরীর কয়েকটি জলাশয় পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা থাকলেও নগরবাসীর নিরাপত্তার স্বার্থে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
নগরবাসীকে বন্যা ও জলাবদ্ধতা থেকে সুরক্ষা দিতে ৪ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকার একটি মেগা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে জানিয়ে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নগরবাসী দীর্ঘমেয়াদে বন্যা ও জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবেন।
তিনি একটি উন্নত ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে ছড়া, ড্রেন ও জলাশয়ে ময়লা-আবর্জনা না ফেলার পাশাপাশি জলাশয় উদ্ধারে সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে নগরবাসীকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
এসএনভির ‘নগরভিত্তিক পানি চক্রের টেকসই রূপান্তর’ প্রকল্পের ক্লাস্টার কো-অর্ডিনেটর মোছাম্মদ রাহিমা বেগমের সঞ্চালনায় কর্মশালায় আরও বক্তব্য দেন সিসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা পদ্মাসন সিংহ, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা (অঞ্চল-২) সুমন চন্দ্র দাশ এবং প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন।










