রামপালে নদীভাঙন পরিদর্শনে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী, পাইলিং বাঁধ নির্মাণের আশ্বাস

প্রতিনিধির নাম:
  • আপলোডের সময় : Monday, August 24, 2026,
রামপালে নদীভাঙন পরিদর্শনে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী, পাইলিং বাঁধ নির্মাণের আশ্বাস
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
রামপালে নদীভাঙন পরিদর্শনে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী, পাইলিং বাঁধ নির্মাণের আশ্বাস

রামপালে নদীভাঙন পরিদর্শনে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী, পাইলিং বাঁধ নির্মাণের আশ্বাস

বাগেরহাটের রামপালের রোমজাইপুর এলাকায় তীব্র নদীভাঙন পরিদর্শন করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। ভাঙন প্রতিরোধে পাইলিং বাঁধ নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেলে মোংলা-ঘাষিয়াখালী আন্তর্জাতিক নৌ চ্যানেলের রামপাল অংশের ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, রোমজাইপুর গ্রামের বড় একটি অংশ ইতোমধ্যে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। চলমান ড্রেজিংয়ের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক নৌরুটে জাহাজ চলাচল, জোয়ার-ভাটার চাপ ও নৌযানের ঢেউয়ের কারণেও ভাঙন তীব্র হচ্ছে। ভাঙন ঠেকাতে এখানে পাইলিং বাঁধ নির্মাণ করা প্রয়োজন।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষের বসবাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত ভাঙন প্রতিরোধের ব্যবস্থা নিতে হবে। এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণের কাজ চলছে।

বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জয়ন্ত পাল জানান, মোংলা-ঘাষিয়াখালী নৌ চ্যানেলের রামপাল অংশে ভাঙনের তীব্রতা বেশি। বর্তমানে চ্যানেলের পাঁচ থেকে ছয়টি পয়েন্টে ভাঙন চলছে। এর মধ্যে তিনটি স্থানে ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। বড় ভাঙনকবলিত এলাকাগুলোর জন্য নতুন টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তীব্র ভাঙনে ইতোমধ্যে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫টি বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ঝুঁকিতে রয়েছে আরও প্রায় অর্ধশত বাড়িঘর। ভাঙনের কবল থেকে রেহাই পায়নি প্রায় ৩ থেকে ৪ কিলোমিটার পাকা ও আধাপাকা সড়কও।

ভুক্তভোগীদের কেউ সরকারি রাস্তার পাশে, কেউ অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। আবার অনেকে এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের কিছু নগদ অর্থ, শুকনো খাবার ও ঢেউটিন দেওয়া হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

তাদের দাবি, শুধু রোমজাইপুর নয়, পুরো উপকূলীয় রামপালকে নদীভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করতে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নিতে হবে।

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত