
যশোর, ক্রাইম রিপোর্টার:
যশোরের চৌগাছা উপজেলার ২ নম্বর পাশাপোল ইউনিয়নে দুই গ্রাম পুলিশ প্রায় ১৪ বছর ধরে জাল জন্মনিবন্ধন সনদ ব্যবহার করে চাকরি করছেন। অভিযোগ উঠেছে, তারা তৎকালীন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিনুর রহমান ও সচিব ইবাদত হোসেনকে মোটা অঙ্কের ঘুষ দিয়ে চাকরিতে যোগদান করেছেন।
২০১১ সালে পাশাপোল ইউনিয়নে অস্থায়ী ভিত্তিতে ৫ জন গ্রাম পুলিশ নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রার্থীদের কাছ থেকে জন্ম নিবন্ধন সনদ, ভোটার আইডি কার্ড ও অষ্টম শ্রেণি পাশের সনদ সংগ্রহ করা হয়। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, রফিকুল ইসলাম ও মকবুল হোসেন বয়সের শর্ত পূরণ না করায় জাল সনদ ব্যবহার করেছেন।
রফিকুল ইসলামের নিয়োগপত্রে জন্মতারিখ ৩০ ডিসেম্বর ১৯৯৬ উল্লেখ থাকলেও ভোটার আইডিতে ১ জানুয়ারি ১৯৭৯ লেখা। একইভাবে মকবুল হোসেনের নিয়োগপত্রে জন্মতারিখ ২০ অক্টোবর ১৯৮৪ হলেও ভোটার কার্ডে ১২ জুন ১৯৬৩ উল্লেখ রয়েছে।
রফিকুল ও মকবুল দাবি করেছেন, কাগজপত্র তারা জমা দিয়েছেন, চাকরি হয়ে গেছে, কাগজে কী লেখা ছিল তা জানতেন না।
তৎকালীন চেয়ারম্যান শাহিনুর রহমান বর্তমানে পলাতক।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, ইউনিয়নভিত্তিক গ্রাম পুলিশ নিয়োগে ওই সময়ে ব্যাপক অনিয়ম ও জালিয়াতি হয়েছিল। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছে।