মেলাজমা কেন হয়? কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধের উপায়

প্রতিনিধির নাম:
  • আপলোডের সময় : Monday, August 24, 2026,
মেলাজমা কেন হয়? কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধের উপায়
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
মেলাজমা কেন হয়? কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধের উপায়

মেলাজমা কেন হয়? কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধের উপায়

আয়নায় মুখের দিকে তাকিয়ে হঠাৎ গাল, কপাল কিংবা ঠোঁটের ওপর বাদামি ছোপ চোখে পড়লে অনেকেই সেটিকে রোদে পোড়া, ফ্রেকলস কিংবা বয়সের দাগ মনে করেন। কিন্তু ত্বকে এমন সমতল, ছোপছোপ বাদামি বা নীলচে-ধূসর দাগের একটি সাধারণ কারণ হতে পারে মেলাজমা

মেলাজমা ক্ষতিকর বা ক্যানসারজনিত কোনো রোগ নয়। তবে মুখে দৃশ্যমান দাগ তৈরি হওয়ায় অনেকের অস্বস্তি হতে পারে এবং আত্মবিশ্বাসেও প্রভাব পড়তে পারে। গর্ভাবস্থায় মেলাজমা বেশি দেখা যায় বলে একে অনেক সময় ‘প্রেগন্যান্সি মাস্ক’ বা গর্ভাবস্থার মুখোশ বলা হয়। তবে শুধু গর্ভবতী নারীদের নয়, নারী-পুরুষ উভয়েরই এ সমস্যা হতে পারে।

লিখেছেন—জান্নাতুল ফেরদৌস

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

মেলাজমা কী?

আমাদের ত্বকের রং নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে মেলানিন নামের এক ধরনের রঞ্জক। ত্বকের মেলানোসাইট নামের কোষ এই রঞ্জক তৈরি করে। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি, দৃশ্যমান আলো, তাপ এবং হরমোনের প্রভাবে এসব কোষ অতিরিক্ত মেলানিন তৈরি করলে ত্বকের নির্দিষ্ট অংশে কালচে ছোপ দেখা দিতে পারে। এই অবস্থাকেই মেলাজমা বলা হয়।

সাধারণত মুখের দুই গাল, কপাল, নাক, চিবুক এবং ওপরের ঠোঁটের অংশে মেলাজমা বেশি দেখা যায়। তবে ঘাড়, বাহু বা শরীরের অন্য সূর্যালোকপ্রাপ্ত অংশেও দাগ হতে পারে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

মেলাজমার দাগ সাধারণত ত্বকের ওপর উঁচু হয়ে থাকে না। এগুলো সমতল বাদামি, গাঢ় বাদামি কিংবা নীলচে-ধূসর প্যাচের মতো দেখা যায়। কখনো কখনো ফ্রেকলসের মতোও মনে হতে পারে।

কেন হয় মেলাজমা?

মেলাজমার পেছনে একাধিক কারণ কাজ করতে পারে। এর মধ্যে সূর্যের আলো ও হরমোনের পরিবর্তন অন্যতম।

সূর্যের অতিবেগুনি ও ইনফ্রারেড রশ্মি ত্বকে মেলানিন উৎপাদন বাড়িয়ে দিতে পারে। ফলে দীর্ঘ সময় রোদে থাকলে মেলাজমার দাগ আরও গাঢ় হতে পারে।

এ ছাড়া গর্ভাবস্থায় ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরনের মতো হরমোনের পরিবর্তনের কারণেও মেলাজমা দেখা দিতে পারে। হরমোনযুক্ত জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি, কিছু ওষুধ, থাইরয়েডের সমস্যা, বংশগত প্রবণতা এবং ত্বকে জ্বালা সৃষ্টি করে এমন প্রসাধনী বা স্কিনকেয়ার পণ্যও এর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

ট্যানিং বেড থেকে পাওয়া অতিবেগুনি রশ্মিও মেলাজমা বাড়িয়ে দিতে পারে।

মেলাজমার লক্ষণ

মেলাজমার সবচেয়ে পরিচিত লক্ষণ হলো ত্বকে হালকা বাদামি, গাঢ় বাদামি কিংবা নীলচে-ধূসর রঙের সমতল ছোপ দেখা দেওয়া।

সাধারণত মুখের একাধিক অংশে একই সময়ে দাগ দেখা দিতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এতে ব্যথা বা চুলকানি থাকে না।

মেলাজমা মুখের বিভিন্ন অংশে বিভিন্ন ধরনের প্যাটার্নে দেখা দিতে পারে।

সেন্ট্রোফেসিয়াল মেলাজমা: কপাল, দুই গাল, নাক ও ওপরের ঠোঁটের অংশে দাগ দেখা যায়। এটি মেলাজমার সবচেয়ে পরিচিত ধরনগুলোর একটি।

ম্যালার মেলাজমা: মূলত গাল ও নাকের অংশে বাদামি বা নীলচে ছোপ দেখা যায়।

ম্যান্ডিবুলার মেলাজমা: চোয়ালের রেখা বা জ-লাইনের ওপর দাগ তৈরি হলে তাকে এ ধরনের মেলাজমা বলা হয়।

ব্র্যাকিয়াল মেলাজমা: কাঁধ ও ওপরের বাহুতে মেলাজমার দাগ দেখা দিলে তাকে ব্র্যাকিয়াল মেলাজমা বলা হয়। সূর্যের আলোতে বেশি উন্মুক্ত থাকা অংশে এটি দেখা দিতে পারে।

ঘাড়ের মেলাজমা: তুলনামূলকভাবে বেশি বয়সী ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ঘাড়ের সামনের, পাশের বা পেছনের অংশেও মেলাজমা দেখা দিতে পারে।

কারা বেশি ঝুঁকিতে?

মেলাজমা সাধারণত প্রজননক্ষম বয়সের নারীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। গর্ভাবস্থায় এর প্রবণতা আরও বাড়তে পারে। তবে পুরুষদেরও মেলাজমা হতে পারে।

পরিবারের কারও মেলাজমা থাকলে ঝুঁকি বাড়তে পারে। যাদের ত্বক তুলনামূলক গাঢ় এবং যারা সহজে ট্যান হন, তাদের মধ্যেও এ সমস্যা বেশি দেখা যেতে পারে।

মেলাজমা কি ক্যানসার?

না। মেলাজমা ক্যানসার নয় এবং এটি ক্যানসারে পরিণতও হয় না।

সাধারণত এতে ব্যথা, চুলকানি বা অন্য শারীরিক অস্বস্তি থাকে না। তবে কিছু ত্বকের ক্যানসার বা অন্যান্য ত্বকের সমস্যাও কখনো কখনো মেলাজমার মতো দেখতে হতে পারে। তাই নতুন কোনো অস্বাভাবিক দাগ দেখা দিলে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

কীভাবে মেলাজমা শনাক্ত করা হয়?

চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ সাধারণত ত্বক পরীক্ষা করেই মেলাজমা শনাক্ত করতে পারেন। প্রয়োজনে Wood’s lamp ব্যবহার করে ত্বকের রঞ্জকের অবস্থান ও গভীরতা পরীক্ষা করা হতে পারে।

কিছু ক্ষেত্রে অন্য কোনো ত্বকের রোগ থেকে মেলাজমাকে আলাদা করার জন্য ত্বকের ছোট নমুনা নিয়ে বায়োপসি করা হতে পারে।

ত্বকের কোন স্তরে মেলানিন জমেছে, তার ওপর চিকিৎসার ফলাফল অনেকটা নির্ভর করে। ত্বকের ওপরের স্তরে থাকা রঞ্জক তুলনামূলক সহজে কমতে পারে। অন্যদিকে গভীর স্তরের রঞ্জক কমাতে বেশি সময় লাগতে পারে এবং সব ক্ষেত্রে পুরোপুরি দূর নাও হতে পারে।

মেলাজমা ও খাবারের সম্পর্ক

মেলাজমার দাগ দেখা দিলে অনেকের প্রশ্ন থাকে—কোনো বিশেষ খাবারের কারণে কি এটি বাড়ে? আবার নির্দিষ্ট কোনো খাবার খেলে কি মেলাজমা কমে?

মঠবাড়িয়া সরকারি হাসপাতালে টেকনিক্যাল স্টাফ সংকটে ব্যাহত পরীক্ষা-নিরীক্ষা মঠবাড়িয়া সরকারি হাসপাতালে টেকনিক্যাল স্টাফ সংকটে ব্যাহত পরীক্ষা-নিরীক্ষা

বর্তমানে এমন কোনো নির্দিষ্ট খাবার বা পানীয়ের প্রমাণ নেই, যা সরাসরি মেলাজমা সৃষ্টি করে, বাড়িয়ে দেয় কিংবা একাই মেলাজমা সারিয়ে তুলতে পারে।

তবে ত্বকের সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সুষম ও পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ। ডিম, দুধ, তৈলাক্ত মাছ, মাশরুমসহ ভিটামিন ডি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানসমৃদ্ধ খাবার খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে।

তবে এসব খাবার মেলাজমার নির্দিষ্ট চিকিৎসা নয়—এ বিষয়টি মনে রাখা জরুরি।

মেলাজমার সঙ্গে থাইরয়েডের সম্পর্ক আছে?

কিছু গবেষণায় মেলাজমা থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে থাইরয়েডের সমস্যার প্রবণতার সঙ্গে সম্পর্কের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তবে মেলাজমা হয়েছে মানেই থাইরয়েডের সমস্যা আছে—এমন নয়।

চিকিৎসক প্রয়োজন মনে করলে রোগীর অন্যান্য উপসর্গ ও শারীরিক অবস্থার ভিত্তিতে থাইরয়েড পরীক্ষা করার পরামর্শ দিতে পারেন।

মেলাজমার চিকিৎসা কী?

মেলাজমার চিকিৎসায় ধৈর্য প্রয়োজন। সবার ক্ষেত্রে একই চিকিৎসা সমানভাবে কাজ করে না। কারও দাগ কয়েক মাসে হালকা হয়ে যেতে পারে, আবার কারও ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন থাকতে পারে।

চিকিৎসা শুরুর আগে মেলাজমার সম্ভাব্য কারণ শনাক্ত করা গুরুত্বপূর্ণ। সূর্যের আলো, হরমোনের পরিবর্তন, জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি, বংশগত প্রবণতা কিংবা ত্বকে ব্যবহৃত কোনো পণ্য দাগ বাড়াচ্ছে কি না, চিকিৎসক তা বিবেচনা করতে পারেন।

প্রথম কাজ—দাগ যেন আর না বাড়ে

মেলাজমার চিকিৎসার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সূর্যের আলো থেকে ত্বককে সুরক্ষিত রাখা

বাইরে বের হওয়ার সময় SPF 30 বা তার বেশি সানস্ক্রিন ব্যবহার করা, প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় সানস্ক্রিন লাগানো এবং চওড়া কিনারার টুপি ব্যবহার করা উপকারী হতে পারে।

ট্যানিং বেড এড়িয়ে চলা এবং ত্বকে জ্বালা সৃষ্টি করে এমন প্রসাধনী বা স্কিনকেয়ার পণ্য ব্যবহার না করাও গুরুত্বপূর্ণ।

মেলাজমা থাকা অবস্থায় ওয়াক্সিংয়ের মতো কোনো পদ্ধতিতে ত্বকে অতিরিক্ত জ্বালা বা প্রদাহ তৈরি হলে দাগ আরও স্পষ্ট হয়ে যেতে পারে।

কোন কোন উপাদান চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়?

চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী মেলাজমার চিকিৎসায় বিভিন্ন ধরনের টপিক্যাল বা ত্বকে ব্যবহারের ওষুধ দেওয়া হতে পারে।

অ্যাজেলেইক অ্যাসিড: মেলাজমার চিকিৎসায় ব্যবহৃত একটি পরিচিত উপাদান। এটি ত্বকের অতিরিক্ত রঞ্জক কমাতে সহায়তা করতে পারে।

সিস্টিয়ামিন: কিছু গবেষণায় মেলাজমার দাগ কমাতে এর সম্ভাব্য উপকারিতা পাওয়া গেছে।

হাইড্রোকুইনোন: মেলাজমার চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত একটি উপাদান। তবে দীর্ঘদিন বা ভুলভাবে ব্যবহার করলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করা উচিত নয়।

ট্রেটিনয়িন: এটি একটি প্রেসক্রিপশন রেটিনয়েড। মেলাজমার চিকিৎসায় ব্যবহার করা হতে পারে। তবে ত্বকে জ্বালা বা প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে এবং গর্ভাবস্থায় এটি ব্যবহার করা উচিত নয়।

আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড বা AHA: ত্বকের ওপরের স্তরের মৃত কোষ অপসারণে সহায়তা করতে পারে এবং কিছু ক্ষেত্রে অতিরিক্ত রঞ্জক কমাতে ব্যবহৃত হয়।

ট্রানেক্সামিক অ্যাসিড: কিছু রোগীর ক্ষেত্রে মেলাজমার চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। তবে মুখে খাওয়ার ট্রানেক্সামিক অ্যাসিড সবার জন্য উপযুক্ত নয় এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এটি ব্যবহার করা উচিত নয়।

এ ছাড়া ভিটামিন সি, আরবুটিন, কোজিক অ্যাসিড, লিকোরিস এক্সট্র্যাক্টসহ বিভিন্ন উপাদান নিয়েও মেলাজমার চিকিৎসায় গবেষণা চলছে।

মেলাজমা কি পুরোপুরি সেরে যায়?

মেলাজমার জন্য এমন কোনো একক চিকিৎসা নেই, যা সবার ক্ষেত্রে নিশ্চিতভাবে সব দাগ স্থায়ীভাবে দূর করে দেবে।

বিশেষ করে ত্বকের গভীর স্তরে থাকা রঞ্জক কমাতে বেশি সময় লাগতে পারে। তবে নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহার, সূর্য থেকে সুরক্ষা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নিলে দাগ অনেকটাই হালকা করা সম্ভব।

কিছু ক্ষেত্রে মেলাজমা নিজে থেকেই কমে যেতে পারে। আবার দাগ কমে যাওয়ার পরও ভবিষ্যতে এটি ফিরে আসতে পারে। বিশেষ করে অতিরিক্ত রোদে থাকা বা হরমোনের পরিবর্তনের সময় পুনরায় দাগ দেখা দিতে পারে।

কখন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যাবেন?

মুখে নতুন কোনো অস্বাভাবিক কালচে বা বাদামি দাগ দেখা দিলে নিজে থেকে কোনো শক্তিশালী ক্রিম ব্যবহার না করে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।

বিশেষ করে দাগের আকার, রং বা আকৃতিতে দ্রুত পরিবর্তন হলে, দাগে অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে কিংবা দীর্ঘদিনেও না কমলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

নিজে থেকে শক্তিশালী স্টেরয়েড, হাইড্রোকুইনোন বা অন্য কোনো প্রেসক্রিপশন ওষুধ ব্যবহার করলে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে।

মেলাজমার চিকিৎসায় দ্রুত ফল পাওয়ার চেয়ে সঠিক রোগ নির্ণয়, নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহার এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ধৈর্য ধরে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া বেশি গুরুত্বপূর্ণ। দাগ কমে গেলেও সূর্যের আলো থেকে ত্বককে সুরক্ষিত রাখার অভ্যাস চালিয়ে যেতে হবে। কারণ মেলাজমা কমে যাওয়ার পরও আবার ফিরে আসতে পারে।

শেয়ার করুন:

লেখাটি আপনার কেমন লাগলো?

মন্তব্য করতে সাইন-আপ বা লগইনের প্রয়োজন নেই - সরাসরি আপনার মতামত লিখুন।

একটি মন্তব্য লিখুন

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত