মালয়েশিয়ায় পাম বাগানে বজ্রপাতে বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু

প্রতিনিধির নাম:
  • আপলোডের সময় : Tuesday, September 29, 2026,
মালয়েশিয়ায় পাম বাগানে বজ্রপাতে বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
মালয়েশিয়ায় পাম বাগানে বজ্রপাতে বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু

মালয়েশিয়ায় পাম বাগানে বজ্রপাতে বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি :

মালয়েশিয়ায় পাম বাগানে কাজ করার সময় বজ্রপাতে মো. হিরন মিয়া (৪০) নামে এক বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত হিরন মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার খাড়েরা ইউনিয়নের মনকাশাইর গ্রামের মৃত সামছুল হকের ছোট ছেলে। জীবিকার তাগিদে তিন বছর আগে ঋণ করে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন তিনি। সেখানে একটি পাম তেল বাগানে শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
ভিসা আবেদনকারীদের কঠোর সতর্কবার্তা দিল মার্কিন দূতাবাস ভিসা আবেদনকারীদের কঠোর সতর্কবার্তা দিল মার্কিন দূতাবাস

নিহতের বড় ভাই মো. খোকন মিয়া জানান, সোমবার সন্ধ্যার দিকে বাগানে কাজ করার সময় হিরন বজ্রপাতে আক্রান্ত হন। পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যদের খবর দেন। বর্তমানে তার মরদেহ দেশে আনার জন্য সহকর্মীরা প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া চালাচ্ছেন।

স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য বাবুল মিয়া জানান, হিরন ঋণ করে কষ্টের মধ্যে বিদেশে গিয়েছিলেন। এর আগে তার ছোট মেয়ে নিহা মনিও মারা যায়। একের পর এক ঘটনায় পরিবারটি এখন শোকের মধ্যে রয়েছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

চার ভাইয়ের মধ্যে হিরন ছিলেন সবার ছোট। বিদেশ যাওয়ার আগে তিনি দেশে গাছ কাটার কাজ করতেন। তিনি এক ছেলে ও দুই মেয়ের বাবা। ছেলে ইকরাম হোসেন আমির দশম শ্রেণিতে, মেয়ে হিমু আক্তার ষষ্ঠ শ্রেণিতে এবং রিমু আক্তার তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ছে।

হিরনের মৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌঁছালে স্ত্রী হ্যাপি আক্তার ও স্বজনরা শোকে ভেঙে পড়েন। ৭৫ বছর বয়সী মা জাহানারা বেগমও ছেলের মৃত্যুর খবরে শোকাহত হয়ে পড়েন। স্বজনদের আহাজারিতে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

শেয়ার করুন:

লেখাটি আপনার কেমন লাগলো?

মন্তব্য করতে সাইন-আপ বা লগইনের প্রয়োজন নেই - সরাসরি আপনার মতামত লিখুন।

একটি মন্তব্য লিখুন

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত