
নিউজ ডেস্ক, আমার সকাল ২৪
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই দলটির নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিবিসি বাংলা এক প্রতিবেদনে জানায়, বিএনপির নয়া মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞ নেতাদের পাশাপাশি নতুন মুখও স্থান পাচ্ছেন। দেশের শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি পত্রিকার বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে সম্ভাব্য মন্ত্রীদের নাম উঠে এসেছে।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, মন্ত্রিসভায় মির্জা আব্বাসকে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর বিএনপি তাদের মন্ত্রিসভার আকার প্রায় চূড়ান্ত করেছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এতে অভিজ্ঞ ও নবনির্বাচিতদের পাশাপাশি টেকনোক্র্যাট কোটায়ও অন্তর্ভুক্তি থাকছে।
দলীয় মহলে আলোচনা রয়েছে, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর-কে রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। স্পিকার পদে ড. আব্দুল মঈন খান-এর নাম আলোচনায় আছে। এছাড়া সালাহউদ্দিন আহমদ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং আ ন ম এহসানুল হক মিলন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন।
এছাড়া গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু-র নামও মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে বিবেচনাধীন। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে নজরুল ইসলাম খান-এর নাম আলোচনায় রয়েছে।
নতুন মুখ হিসেবে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে রুহুল কবির রিজভী (টেকনোক্র্যাট), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ইসমাইল জবিউল্লাহ (টেকনোক্র্যাট), পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে হুমায়ুন কবির (টেকনোক্র্যাট) এবং স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী অ্যানি-র নাম বিবেচনায় রয়েছে।
চিকিৎসক এজেডএম জাহিদ হোসেন ও আইনজীবী ফজলুর রহমান ছাড়াও ববি হাজ্জাজ, আন্দালিব রহমান পার্থ, নুরুল হক নুর, ড. রেজা কিবরিয়া ও মোস্তফা জামাল হায়দারের নামও আলোচনায় রয়েছে।
এ পর্যন্ত বেসরকারিভাবে ২৯৭টি আসনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মধ্যে বিএনপি ২০৯টিতে জয়ী হয়েছে। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন মন্ত্রিসভা গঠন হতে পারে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
দুই দশক পর ফের সরকার গঠনের পথে বিএনপি। দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া-র অনুপস্থিতিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তারেক রহমান। দলীয় প্রধান হিসেবে তিনিই হতে যাচ্ছেন নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী।