মঠবাড়িয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭০ শতাংশ জমি বেদখলের অভিযোগ

, স্টাফ রিপোর্টার
  • আপলোডের সময় : Friday, September 11, 2026,
মঠবাড়িয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭০ শতাংশ জমি বেদখলের অভিযোগ
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
মঠবাড়িয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭০ শতাংশ জমি বেদখলের অভিযোগ

মঠবাড়িয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭০ শতাংশ জমি বেদখলের অভিযোগ

মোঃ নাইম
স্টাফ রিপোর্টার, আমার সকাল ২৪
পিরোজপুর

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ৬৯ নম্বর দধিভাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৭০ শতাংশ জমি বেদখলে থাকার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমান আতিকের যথাযথ উদ্যোগের অভাবে স্থানীয় প্রভাবশালীরা দীর্ঘদিন ধরে ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন।

স্থানীয়দের দাবি, বিদ্যালয়ের নিজস্ব জমির একটি অংশ সীমানাপ্রাচীরের বাইরে রয়েছে। সেই সুযোগে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা সেখানে দীর্ঘদিন ধরে আমবাগান ও ধান চাষ করে আসছেন। বছরের পর বছর একই ব্যক্তিরা বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে যুক্ত থাকায় জমি উদ্ধারে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৬৯ নম্বর দধিভাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামে মোট ১০০ শতাংশ জমি রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশ জমি সীমানাপ্রাচীরের ভেতরে। বাকি প্রায় ৭০ শতাংশ জমি সীমানাপ্রাচীরের বাইরে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। তবে বিএস জরিপে বিদ্যালয়ের নামে মাত্র ২১ শতাংশ জমি রেকর্ডভুক্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

সুন্দরগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে হামলা ও টাকা লুটের অভিযোগ, থানায় এজাহার সুন্দরগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে হামলা ও টাকা লুটের অভিযোগ, থানায় এজাহার

স্থানীয় বাসিন্দা গোলাম রহমান টিটু বলেন, বিদ্যালয়ের জমি একটি জায়গায় নয়, বিভিন্ন দাগে রয়েছে। বিএস জরিপে ২১ শতাংশ জমি বিদ্যালয়ের নামে রেকর্ডভুক্ত হয়েছে। বাকি জমি বেদখল অবস্থায় রয়েছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমান বলেন, বিদ্যালয়ের নামে ১০০ শতাংশ জমি রয়েছে। এর মধ্যে ৩০ শতাংশ সীমানাপ্রাচীরের মধ্যে এবং বাকি ৭০ শতাংশ সীমানাপ্রাচীরের বাইরে রয়েছে। বিষয়টি তৎকালীন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল আমিনকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ইউইও) কামরুল হাসান বলেন, বিদ্যালয়ের জমি বাদ দিয়ে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করা হয়ে থাকলে তা সরকারি অর্থের অপব্যবহার হিসেবে গণ্য হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষক ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আতাউর রাব্বি বলেন, বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হবে। বিদ্যালয়ের প্রকৃত জমি নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের দাবি, বিদ্যালয়ের নামে থাকা জমি দ্রুত জরিপ ও সীমানা নির্ধারণ করে বেদখল জমি উদ্ধারে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

শেয়ার করুন:

লেখাটি আপনার কেমন লাগলো?

মন্তব্য করতে সাইন-আপ বা লগইনের প্রয়োজন নেই - সরাসরি আপনার মতামত লিখুন।

একটি মন্তব্য লিখুন

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত