মঠবাড়িয়ায় বিস্ফোরক ও হত্যা মামলার আসামির প্রকাশ্যে ঘোরাফেরার অভিযোগ
- আপলোডের সময় : Tuesday, September 8, 2026,

মঠবাড়িয়ায় বিস্ফোরক ও হত্যা মামলার আসামির প্রকাশ্যে ঘোরাফেরার অভিযোগ
স্টাফ রিপোর্টার | মোঃ নাইম
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় দুটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হয়েও আল মামুন নামে এক ব্যক্তি প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা ও চাকরি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনি টিকিকাটা নূরিয়া কামিল মাদ্রাসার অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর এবং টিকিকাটা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বলে জানা গেছে।
আল মামুন টিকিকাটা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বড় শিংগা গ্রামের আব্দুল হালিমের ছেলে।
মামলার নথি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আল মামুনের বিরুদ্ধে মঠবাড়িয়া থানায় বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা রয়েছে। মঠবাড়িয়া থানার মামলা নম্বর-১৫, তারিখ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫। ওই মামলায় তাকে ১০২ নম্বর আসামি করা হয়েছে। মামলায় প্রধান আসামি হিসেবে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিউদ্দিন আহমেদ ফেরদৌসের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২০২৩ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা গুলিশাখালী বাজারে পদযাত্রার আয়োজন করেন। এ সময় সেখানে হামলার অভিযোগ ওঠে। পরে নেতাকর্মীরা টিয়ারখালী বাজারের সেতুর দিকে গেলে সেখানেও হামলার ঘটনা ঘটে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়া আল মামুনের বিরুদ্ধে রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানায় একটি হত্যা মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। উত্তরা পূর্ব থানার মামলা নম্বর-১০, তারিখ ১৮ এপ্রিল ২০২৬। ওই মামলায় তাকে ৫৯ নম্বর আসামি করা হয়েছে। মামলায় প্রধান আসামি হিসেবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম উল্লেখ রয়েছে। ২০২৪ সালের ১৮ জুলাইয়ের ঘটনায় হত্যা ও সহায়তার অভিযোগে মামলাটি করা হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
দুটি মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি থাকা সত্ত্বেও আল মামুন প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা ও নিয়মিত চাকরি করছেন—এমন অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কয়েকজন। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল ইসলাম বলেন, অভিযুক্ত আসামির বিরুদ্ধে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে সত্যতা না পাওয়ায় আপাতত তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে মামলায় আসামি হওয়া মানেই অপরাধ প্রমাণিত হওয়া নয়। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আইনগতভাবে নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হন।



















লেখাটি আপনার কেমন লাগলো?
মন্তব্য করতে সাইন-আপ বা লগইনের প্রয়োজন নেই - সরাসরি আপনার মতামত লিখুন।