বোচাগঞ্জে মেডিসিন ব্যবসায়ীকে খুঁটিতে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ, টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার দাবি
- আপলোডের সময় : Thursday, September 3, 2026,

বোচাগঞ্জে মেডিসিন ব্যবসায়ীকে খুঁটিতে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ, টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার দাবি
স্টাফ রিপোর্টার: মিজানুর রহমান
দিনাজপুরের বোচাগঞ্জে এক মেডিসিন ব্যবসায়ী ও তাঁর ছেলেকে বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন এবং ব্যবসায়িক ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ও তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করা হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সেতাবগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অভিযোগগুলো তুলে ধরেন আটগাঁও সরকারপাড়া গ্রামের মৃত আবুল কাসেমের ছেলে এবং আটগাঁও ফার্মেসির স্বত্বাধিকারী মো. মিজানুর রহমান।
লিখিত বক্তব্যে মিজানুর রহমান অভিযোগ করেন, পূর্বশত্রুতার জের ধরে একই গ্রামের মোজাহারুল হক, পিতা হজো মোহাম্মদ, গত ২৯ আগস্ট শনিবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে তাঁর বাড়ির সামনে এসে তাঁর মাকে গালিগালাজ করেন। এ সময় তিনি ও তাঁর ছেলে সাব্বির মৌখিকভাবে প্রতিবাদ করলে মোজাহারুল ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁর মুদি দোকান থেকে ধারালো দা নিয়ে তাঁদের দিকে আঘাত করতে থাকেন।
এতে তিনি ও তাঁর ছেলে সাব্বির শরীরের বিভিন্ন স্থানে আহত হন বলে দাবি করেন মিজানুর রহমান। তিনি আরও বলেন, আত্মরক্ষার চেষ্টা করার সময় মোজাহারুলের হাত থেকে দা ছিটকে গিয়ে তিনি নিজেই আঘাতপ্রাপ্ত হন।
মিজানুর রহমানের অভিযোগ, পরে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি মোজাহারুলের রক্তাক্ত অবস্থাকে কেন্দ্র করে তাঁরা তাঁকে আঘাত করেছেন বলে মনে করেন। এরপর কালাম, রফিকুল, আমিনুল, হাসিবুরসহ আরও কয়েকজন তাঁকে ও তাঁর ছেলে সাব্বিরকে জোর করে আটগাঁও চৌরাস্তা বাজারে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে তাঁদের দুজনকে দড়ি দিয়ে বেঁধে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে নির্যাতন করা হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, এ সময় তাঁর পকেটে থাকা ব্যবসায়িক ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা, মোটরসাইকেলের চাবি, দোকানের চাবি ও মোবাইল ফোন নিয়ে নেওয়া হয়। পরে পুলিশকে খবর দিয়ে তাঁদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মিজানুর রহমান জানান, পরে তাঁর মা থানায় গিয়ে মোটরসাইকেল ও দোকানের চাবি এবং মোবাইল ফোন ফেরত পাওয়ার কথা তাঁকে জানান। তবে তাঁর অভিযোগ অনুযায়ী, ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি।
এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাঁর ও তাঁর পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান ভুক্তভোগী মিজানুর রহমান।
অভিযোগগুলোর বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।









