1. [email protected] : Amar Sokal 24 : Amar Sokal 24
বিলুপ্তপ্রায় নিপুণ বাসা–কারিগর পাখি টুনটুনি - আমার সকাল ২৪ |
ব্রেকিং নিউজ:
কাদিয়ানী ও শিয়া মতবাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধের দাবিতে দিনাজপুরে বিক্ষোভ সমাবেশ লালাবাজারে রাস্তার বেহাল দশা, দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ দুর্গাপুরে ৪০ বোতল ভারতীয় মদসহ আটক ২ নোয়াখালীতে সিএনজিতে ১১ কেজি গাঁজা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ ২০৩২ সাল পর্যন্ত রিয়ালেই থাকছেন ভিনিসিয়ুস রুমমেটদের ব্যক্তিগত ছবি অনুমতি ছাড়া যুক্তরাজ্যপ্রবাসী যুবকের কাছে পাঠানোর অভিযোগ, ইবি ছাত্রীকে ঘিরে তদন্তের আভাস প্রেমিকার বিয়ের দিন যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, ফেসবুক পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্য নলছিটিতে দুই মোবাইল চুরির অভিযোগে কিশোর আটক, পুলিশের কাছে সোপর্দ নলছিটিতে প্রথমবারের মতো যাত্রা শুরু করছে বাবরের দৃঢ়তায় ৪৯ বছরের অপেক্ষার অবসান, বিদেশের মাটিতে পাকিস্তানের টেস্ট জয় ২০২৮ যুব বিশ্বকাপ লক্ষ্য, রাজশাহীতে ৩০ ক্রিকেটার নিয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের নতুন ক্যাম্প বাংলাদেশ ম্যাচ নিয়ে রোমাঞ্চিত হ্যাজলউড, ‘অনেক অচেনার মুখোমুখি হতে যাচ্ছি’ ওয়াসিম-ইমরানের রেকর্ডে ভাগ বসালেন বাবর আজম অস্ট্রেলিয়ার কঠিন কন্ডিশনে সেঞ্চুরির রহস্য জানালেন মিরাজ নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়লেন বাটলার এশিয়া কাপের সূচি চূড়ান্ত, একই গ্রুপে ভারত-পাকিস্তান পাকিস্তান সিরিজের প্রথম দুই টেস্টের জন্য ইংল্যান্ডের ১৬ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা চীনের, ড্রোন রপ্তানিতে নিয়ন্ত্রণসহ নতুন নিষেধাজ্ঞা অভ্যুত্থানের পর প্রথম সরকারি সফরে থাইল্যান্ডে মিন অং হ্লাইং উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ, সতর্ক দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান থাইল্যান্ডের স্কুলে শিক্ষকের ওপর গুলি, নিহত শিক্ষক ও হামলাকারী শিক্ষার্থী বগুড়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসের চাপায় ৭ শ্রমিক নিহত, আহত ১৭ ২৯ কোটি টাকা আত্মসাৎ: জিপিওর সহকারী পোস্টমাস্টারের ৫ বছরের কারাদণ্ড বিএনপি নেতাকে বাঁচাতে গিয়ে বুকে গুলি খেলেন সহযোগী সিলেটে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৮, আহত ১৩ হাতিয়ায় সাপে কাটা রোগীদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যান্টি স্নেক ভেনম সরবরাহ ওভারটেক করতে গিয়ে সড়কে ঝরল যুবকের প্রাণ গফরগাঁওয়ে জামালপুর কমিউটার ট্রেনের চার বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ সাতসকালে সড়কে ঝরল ১৫ প্রাণ নবগঠিত প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফুলেল শুভেচ্ছা বাকেরগঞ্জে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার বাকেরগঞ্জে বাল্কহেডের ধাক্কায় সেতু ধস, বন্ধ চলাচল আত্রাইয়ে সিংসাড়া-ইব্রাহিমনগর দাড়ির ওপর প্রশস্ত ব্রিজ নির্মাণের দাবি রায়পুরে শিক্ষার্থীদের ফ্রি ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্প, স্বাস্থ্যসেবায় নতুন আশার বার্তা রায়পুরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: সৎ শাশুড়ির বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগে মানববন্ধন সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি হিসেবে পুনরায় দায়িত্ব পেলেন নাসিম হোসাইন সিলেটে ১৮৭ একর আয়তনের নতুন বিসিক শিল্পনগরী প্রতিষ্ঠার ঘোষণাসিলেটে ১৮৭ একর আয়তনের নতুন বিসিক শিল্পনগরী প্রতিষ্ঠার ঘোষণা বারবার দুর্ঘটনা ঘটলেও লাগামহীন বিদ্যুৎ বিভাগের অব্যবস্থাপনা: খুঁটিবিহীন লাইন ও মানহীন তার সংস্কারের দাবিতে ৭০ পরিবারের মানববন্ধন বোচাগঞ্জে সমম্বিত সাংস্কৃতিক ফাউন্ডেশনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন জুলাই গণঅভ্যুত্থান উপলক্ষে দিনাজপুর জেলা বিএনপির বিজয় মিছিল

বিলুপ্তপ্রায় নিপুণ বাসা–কারিগর পাখি টুনটুনি

মোঃ রফিকুল ইসলাম
  • আপলোডের সময় : Wednesday, December 3, 2025,
বিলুপ্তপ্রায় নিপুণ বাসা–কারিগর পাখি টুনটুনি
বিলুপ্তপ্রায় নিপুণ বাসা–কারিগর পাখি টুনটুনি

বিলুপ্তপ্রায় নিপুণ বাসা–কারিগর পাখি টুনটুনি

মোঃ রফিকুল ইসলাম
বিশেষ প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম
আমার সকাল ২৪ নিউজ

গ্রামবাংলার ঝোপঝাড়, বাগান, বন-বাদারে এক সময় দেখা মিলত ছোট কিন্তু নিপুণ কারিগর পাখি টুনটুনির। গাছের পাতা একসঙ্গে সেলাই করে বাসা তৈরির অসাধারণ দক্ষতার জন্য এদের সবাই দর্জি পাখি নামেও চেনে। কিন্তু এখন আর আগের মতো তেমন দেখা মেলে না এই উপকারি পাখিটির।

টুনটুনি মূলত চড়ুই জাতের পাখি। এদের দেখা যায় খোলা খামার জমি, ঝোপঝাড় ও বনাঞ্চলে। ফুলের মধু খেয়ে এক ফুল থেকে অন্য ফুলে উড়ে পরাগায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি নানা ক্ষতিকর পোকামাকড় খেয়ে পরিবেশ ও কৃষিজ ফসল রক্ষায়ও সহায়তা করে।

অঞ্চলভেদে টুনটুনিকে বিভিন্ন নামে ডাকা হয়—টুনি, মধুচুষকি, দুগাটুনটুনি, বেগুন টুনটুনি, মৌটুসি, নীলটুনটুনি, দর্জি, মৌটুসকি ইত্যাদি।

বাবুই পাখিকে প্রকৃতির স্থপতি বলা হলেও নির্মাণশৈলীর ক্ষেত্রে টুনটুনির অবস্থান আলাদা। আকারে ছোট হলেও অত্যন্ত নিপুণভাবে টুনটুনি ঠোঁট দিয়ে গাছের পাতা সেলাই করে শক্ত ও আকর্ষণীয় বাসা তৈরি করে। এরা প্রধানত ঝোপঝাড় জাতীয় গাছ বা মাঝারি আকারের গাছ যেমন—খোকশা, লেবু, ডুমুর, কাঠবাদাম, সূর্যমুখী ইত্যাদিতে বাসা বাঁধতে পছন্দ করে। এর মধ্যে খোকশা গাছে তাদের বাসার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

স্ত্রী ও পুরুষ—উভয় টুনটুনি ১–২টি পাতা সেলাই করে একটি বাসা তৈরি করতে ৪–৫ দিন সময় নেয়। তুলা, সুতা, শুকনো পাতা, লতার অংশ, এমনকি গরু–মহিষের লেজের চুলও ব্যবহৃত হয় বাসায়।

প্রজনন মৌসুম
মাঘ মাসের শেষ দিকে শুরু হয় টুনটুনির বাসা বানানো। ফাল্গুন–আশ্বিনের মধ্যে ৪–৫টি ডিম পাড়ে। স্ত্রী ও পুরুষ উভয়ই ১০ দিন ডিমে তা দিয়ে বাচ্চা ফোটায়। এরপর বাচ্চাসহ বাসা পরিবর্তন করে। বছরে ২–৩ বার ডিম দেয় এরা।

মানুষ বা অন্য প্রাণী বাসার কাছে গেলে এরা ডানা ঝাপটিয়ে টুনটুন শব্দ করে বাসা রক্ষায় তৎপর হয়। তবে ঝড়–বৃষ্টিতে পাতাসহ বাসা পড়ে গিয়ে ডিম ও বাচ্চা নষ্ট হওয়ার ঘটনাও ঘটে প্রায়ই।

গ্রামের শিশুদের কাছে টুনটুনির বাসা এক ধরনের আকর্ষণের বিষয়। কিন্তু অনেক সময় কৌতূহল থেকেই বাসা বা ডিম নষ্ট হয়ে যায়।

আজকাল আর আগের মতো দৃষ্টিনন্দন টুনটুনির বাসা চোখে পড়ে না। বন উজাড়, সবুজ কমে যাওয়া এবং মানুষের অসচেতন আচরণের কারণে এই উপকারি ছোট পাখিটি এখন বিলুপ্তির কাতারে। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় সবুজ গাছপালা বৃদ্ধি ও পাখি সংরক্ষণ এখন সময়ের দাবি।

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ সংক্রান্ত

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

 © All rights reserved 2026 Amar Sokal 24 Newspaper