বান্দরবান আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গেটে ময়লার স্তূপ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা - আমার সকাল ২৪ |
|
|
|
|
|
ব্রেকিং নিউজ:
বান্দরবান আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গেটে ময়লার স্তূপ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা
মোহাম্মদ আইয়ুব
আপলোডের সময় :
Wednesday, June 17, 2026,
বান্দরবান আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গেটে ময়লার স্তূপ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা
বান্দরবান আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গেটে ময়লার স্তূপ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা
বান্দরবান প্রতিনিধি: মোহাম্মদ আইয়ুব ১৭ জুন ২০২৬
বান্দরবান আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের (গেট) ঠিক পাশেই জমে উঠেছে বিশাল এক ময়লা-আবর্জনার স্তূপ। দীর্ঘদিন ধরে এসব বর্জ্য অপসারণ না করায় সেখান থেকে প্রতিনিয়ত তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। ফলে বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করতে গিয়ে চরম ভোগান্তি ও মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পড়েছে শত শত কোমলমতি শিক্ষার্থী।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বিদ্যালয়ের প্রবেশদ্বারের একদম গা ঘেঁষেই ফেলা হচ্ছে প্লাস্টিক, পচা খাবার ও নানা ধরনের গৃহস্থালি বর্জ্য। পচে যাওয়া এসব ময়লা থেকে ছড়ানো দুর্গন্ধে স্কুলের সামনে স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নেওয়ার পরিবেশও নেই। নাক চেপে ধরে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে হচ্ছে।
স্থানীয় অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন— “স্কুলের গেটের মুখে এভাবে ময়লা জমে থাকা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। দুর্গন্ধের কারণে বাচ্চারা ক্লাসে ঠিকমতো মনোযোগ দিতে পারছে না। সবচেয়ে বড় ভয়ের বিষয় হলো, এই নোংরা পরিবেশ থেকে ছড়াচ্ছে মশা-মাছি। বর্তমান সময়ে ডেঙ্গুসহ নানা ধরনের সংক্রামক ব্যাধির প্রকোপ চলছে। যেকোনো সময় আমাদের বাচ্চারা বড় ধরনের অসুখে পড়তে পারে।”
অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয়ের মূল ফটকের এই বেহাল দশা এবং ময়লা জমে থাকার বিষয়টি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে অবগত। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এটি অপসারণ বা ডাস্টবিন সরানোর বিষয়ে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ বা উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি। কর্তৃপক্ষের এমন উদাসীনতায় ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সচেতন মহল।
শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে অবিলম্বে এই ময়লার স্তূপ অপসারণ এবং ভবিষ্যতে যেন এখানে কেউ ময়লা না ফেলতে পারে—সে জন্য সংশ্লিষ্ট পৌর কর্তৃপক্ষ ও বিদ্যালয় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগী অভিভাবকেরা।