ফেনীতে জামায়াত আমির: ‘দেশ ছাড়িনি, মাটি কামড়ে দেশেই ছিলাম’

প্রতিনিধির নাম:
  • আপলোডের সময় : Sunday, September 6, 2026,
ফেনীতে জামায়াত আমির: ‘দেশ ছাড়িনি, মাটি কামড়ে দেশেই ছিলাম’
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
ফেনীতে জামায়াত আমির: ‘দেশ ছাড়িনি, মাটি কামড়ে দেশেই ছিলাম’

ফেনীতে জামায়াত আমির: ‘দেশ ছাড়িনি, মাটি কামড়ে দেশেই ছিলাম’

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের বাইরে তাঁদের কোনো ‘পিসির বাড়ি’ বা ‘দাদা বাবুর বাড়ি’ নেই। অতীতে নির্যাতনের মুখেও দেশ ছেড়ে যাননি দাবি করে তিনি বলেন, “মাটি কামড়ে দেশেই ছিলাম।”

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে লংমার্চে যাওয়ার পথে ফেনীর মহীপালে আয়োজিত এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “বাংলাদেশই আমাদের গর্বের ঠিকানা। সুখে-দুঃখে জনগণের সঙ্গেই ছিলাম। আকাশে বজ্রপাত হলেও আল্লাহ যদি বাঁচিয়ে রাখেন, আপনাদের পাশে থাকব, ইনশাআল্লাহ।”

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

সরকারের সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, “প্রথম দিন থেকেই এই সরকার জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন একসঙ্গে হয়েছে। তারা একটি মেনে নিয়েছে, আরেকটি মানছে না। এ জন্য তাদের করুণ পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “শেখ হাসিনা গায়ের জোরে দেশ চালিয়ে এখন দেশের বাইরে অবস্থান করতে বাধ্য হয়েছেন।”

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “ছয় মাস অতিবাহিত হলো সরকারের, এখনো কোনো বিচারকার্যের কিছুই হয়নি। যা হয়েছে, তা ড. ইউনূসের আমলে হয়েছে।”

তিনি পিলখানায় ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তার হত্যাকাণ্ড, জুলাই গণহত্যা এবং শাপলা চত্বরের ঘটনার বিচার দাবি করেন। তাঁর ভাষায়, এসব ঘটনায় বিচার না হওয়ায় সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে।

গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ চারজনেরই মৃত্যু গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ চারজনেরই মৃত্যু

বিরোধী দলের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “যেখানেই জনগণের অধিকার নিয়ে টান দেওয়া হবে, সেখানেই গর্জন দিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলা বিরোধী দলের দায়িত্ব। আপনারা জনগণের অধিকার নিয়ে টান দিলে বিরোধী দল কঠোরভাবে তা প্রতিরোধ করবে।”

দেশে নতুন করে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হচ্ছে দাবি করে জামায়াত আমির বলেন, “আমরা দলীয় দাবি নিয়ে রাস্তায় নামিনি। দেশে আবার নতুন করে ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। আমরা খানিকটা সময় দিচ্ছি, তবে এই সময় দীর্ঘ হবে না।”

যুবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “এখন আমাদের তামাম প্রচেষ্টা তোমাদের জন্য। তোমাদের ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য কাজ করতে করতে আল্লাহর কাছে চলে যেতে চাই।”

তিনি আরও বলেন, “এমন একটি বাংলাদেশ তোমাদের হাতে তুলে দেব, যেখানে কোনো মানুষ আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় করবে না। যুবকরা প্রস্তুত থাকো। তোমাদের ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য আমাদের এ লড়াই। আমরা আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় করি না।”

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “রাজপথে বিরোধী দলকে দমন-নিপীড়ন করা হচ্ছে। আমাদের আঘাত দিলে পাল্টা আঘাতের জন্য প্রস্তুত থাকুন। বিরোধী দলের সহযোগিতা চাইলে ৬ দফার প্রতিটি দফা মেনে নিন।”

পথসভায় সভাপতিত্ব করেন ফেনী জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মুফতি আবদুল হান্নান। সঞ্চালনা করেন জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আবদুর রহীম।

সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, জামায়াতের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু এবং জামায়াতের ফেনী-১ আসনের সংসদ প্রার্থী অ্যাডভোকেট কামাল উদ্দিন।

ফেনীতে পথসভা শেষে কেন্দ্রীয় নেতারা বহর নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হন।

শেয়ার করুন:

লেখাটি আপনার কেমন লাগলো?

মন্তব্য করতে সাইন-আপ বা লগইনের প্রয়োজন নেই - সরাসরি আপনার মতামত লিখুন।

একটি মন্তব্য লিখুন

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত