পূর্ব জাফলংয়ে নির্বাচনী আলোচনা, সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় জাহিদ খান
- আপলোডের সময় : Wednesday, September 16, 2026,

পূর্ব জাফলংয়ে নির্বাচনী আলোচনা, সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় জাহিদ খান
লোকমান আহমদ
উপজেলা প্রতিনিধি, গোয়াইনঘাট
আমার সকাল ২৪
সিলেট
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ৩ নম্বর পূর্ব জাফলং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনায় উঠে আসছে ইউনিয়নের বাসিন্দা ও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত জাহিদ খানের নাম।
স্থানীয়দের একাংশের দাবি, মাঠপর্যায়ে জাহিদ খানের রাজনৈতিক ও সামাজিক যোগাযোগ রয়েছে এবং সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে তাকে নিয়ে আলোচনা রয়েছে। তবে তার জনপ্রিয়তার ৮০ থেকে ৯০ শতাংশের যে দাবি স্থানীয়দের কেউ কেউ করছেন, তার কোনো নিরপেক্ষ পরিমাপ পাওয়া যায়নি।
জাহিদ খান আমিরমিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে শিক্ষাজীবন শুরু করেন। তিনি ১৯৯৮ সালে ওই প্রতিষ্ঠান থেকে এসএসসি এবং ২০০১ সালে টাঙ্গাইলের কাগমারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। পরে ২০০৪ সালে এমসি কলেজ থেকে বিএ পাস করেন। বর্তমানে তিনি হাজী সোহরাব আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
রাজনৈতিক জীবনে জাহিদ খান ২০১৫ সালে ৩ নম্বর পূর্ব জাফলং ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহ্বায়ক, ২০১৬ সালে গোয়াইনঘাট উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এবং ২০১৯ সালে উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২১ সালে তিনি গোয়াইনঘাট উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। সাম্প্রতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনে তাকে গোয়াইনঘাট উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে।
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমেও জাহিদ খানের সম্পৃক্ততার কথা তুলে ধরছেন স্থানীয়দের একাংশ। তাদের ভাষ্য, মাঠপর্যায়ে তার সঙ্গে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের যোগাযোগ রয়েছে।
রাজনৈতিক জীবনে একাধিক মামলার মুখোমুখি হওয়ার কথাও জানিয়েছেন জাহিদ খান। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তাঁর বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা হয়েছিল। এর মধ্যে দুটি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে এবং তিনটি মামলা বর্তমানে চলমান রয়েছে। তিনি দুইবার কারাবরণ করেছেন বলেও জানিয়েছেন। ২০২৫ সালে মায়ের জানাজায় অংশ নিতে প্যারোলে মুক্তি পাওয়ার খবরও প্রকাশিত হয়েছিল।
তবে জাহিদ খানের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বিতর্কও হয়েছে। ২০২৫ সালে জাফলংয়ে একটি বিক্ষোভের ঘটনায় তাঁর নাম আসে এবং ওই ঘটনার পর যুবদল থেকে তাঁকে বহিষ্কারের খবর প্রকাশিত হয়। এসব বিষয়ে তাঁর বক্তব্য বা পরবর্তী সাংগঠনিক অবস্থান আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
স্থানীয়দের একাংশ জাহিদ খানকে ত্যাগী নেতা হিসেবে উল্লেখ করে তাঁর রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করছেন। একই সঙ্গে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে তাঁর সম্পৃক্ততার কথা তুলে ধরে তারা আসন্ন ৩ নম্বর পূর্ব জাফলং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তাঁকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান বলে জানিয়েছেন।



















লেখাটি আপনার কেমন লাগলো?
মন্তব্য করতে সাইন-আপ বা লগইনের প্রয়োজন নেই - সরাসরি আপনার মতামত লিখুন।