পাহাড়ের গণ্ডি পেরিয়ে জাতীয় পর্যায়ে ম্রো সংস্কৃতির রূপকার তনয়া ম্রো

  • আপলোডের সময় : Thursday, August 27, 2026,
পাহাড়ের গণ্ডি পেরিয়ে জাতীয় পর্যায়ে ম্রো সংস্কৃতির রূপকার তনয়া ম্রো
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
পাহাড়ের গণ্ডি পেরিয়ে জাতীয় পর্যায়ে ম্রো সংস্কৃতির রূপকার তনয়া ম্রো

পাহাড়ের গণ্ডি পেরিয়ে জাতীয় পর্যায়ে ম্রো সংস্কৃতির রূপকার তনয়া ম্রো

স্টাফ রিপোর্টার, বান্দরবান: সুকেল তঞ্চঙ্গ্যা

জাতীয় পর্যায়ে অনন্য গৌরব অর্জন করেছেন বান্দরবানের ম্রো জনগোষ্ঠীর তরুণ কবি ও লেখক তনয়া ম্রো। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে বাংলাদেশের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সদস্যদের জন্য নির্ধারিত ‘ঘ’ গ্রুপ ক্যাটাগরিতে জাতীয় পর্যায়ে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন তিনি।

গত মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট অডিটোরিয়ামে ‘বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে তৃতীয় ভাষা শিক্ষার গুরুত্ব’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রতিযোগীর মধ্য থেকে তনয়া ম্রোকে জাতীয় পর্যায়ে তৃতীয় স্থান অর্জনের জন্য বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

নিজের এই অর্জনে অনুভূতি প্রকাশ করে তরুণ লেখক তনয়া ম্রো বলেন, “জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের এমন একটি মর্যাদাপূর্ণ মঞ্চে লেখনীর মাধ্যমে নিজের ম্রো জনগোষ্ঠীর ভাষা, সংস্কৃতি, টেকসই অর্থনীতি ও পার্বত্য অঞ্চলের ঐতিহ্য তুলে ধরতে পেরে আমি অত্যন্ত গর্ববোধ করছি।”

তিনি বলেন, এই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি আগামী দিনে ম্রো সংস্কৃতি ও এর টেকসই অর্থনীতি নিয়ে আরও গভীরভাবে গবেষণা চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তাকে অনুপ্রাণিত করবে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

সংশ্লিষ্টদের মতে, পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাতৃভাষা সংরক্ষণ, চর্চা এবং মূলধারার সঙ্গে এর সেতুবন্ধন তৈরিতে তরুণ প্রজন্মের এমন সাফল্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তনয়া ম্রোর এই অর্জন বান্দরবানের পাশাপাশি দেশের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতিকেও জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরেছে।

স্থানীয় বিশিষ্টজনেরা আশা প্রকাশ করেন, তনয়া ম্রোর লেখনীর মাধ্যমে ভবিষ্যতে ম্রো ভাষা, সাহিত্য ও লোকসংস্কৃতির নানা অজানা দিক আরও ব্যাপকভাবে জাতীয় পর্যায়ে পরিচিতি লাভ করবে।

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত