নলছিটিতে কৃষকের গলার কাঁটা ইরি ধান, সরকারি ক্রয় না হওয়ায় হতাশা

প্রতিনিধির নাম:
  • আপলোডের সময় : Tuesday, September 15, 2026,
নলছিটিতে কৃষকের গলার কাঁটা ইরি ধান, সরকারি ক্রয় না হওয়ায় হতাশা
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
নলছিটিতে কৃষকের গলার কাঁটা ইরি ধান, সরকারি ক্রয় না হওয়ায় হতাশা

নলছিটিতে কৃষকের গলার কাঁটা ইরি ধান, সরকারি ক্রয় না হওয়ায় হতাশা

নলছিটি প্রতিনিধি
আমার সকাল ২৪
ঝালকাঠি

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার সাধারণ কৃষকদের জন্য ইরি ধান এখন গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিভিন্ন এনজিও ও ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে লাভের আশায় ইরি ধান চাষ করলেও উৎপাদিত ধান সরকারি গুদামে দিতে না পারায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।

উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও নলছিটি পৌর এলাকার অনেক কৃষক ৪ থেকে ৫ বিঘা বা তারও বেশি জমিতে ইরি ধান চাষ করেছেন। পরিচর্যা শেষে ধান ঘরে তুলে রোদে শুকিয়ে ১০০ থেকে ১৫০ মণ পর্যন্ত ধান বস্তাবন্দি করে খামারে মজুত রেখেছেন তারা। প্রতিবছরের মতো এবারও সরকার কৃষকদের কাছ থেকে ধান কিনে সরকারি গুদামে সংরক্ষণ করবে—এমন প্রত্যাশা ছিল তাদের।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

তবে সেই প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। উৎপাদিত ধান সরকারি গুদামে দিতে না পারায় অনেকেই এখন ঋণের কিস্তি ও সুদের টাকা পরিশোধ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

মঠবাড়িয়ায় চিকিৎসাসেবার প্রচারণা নিয়ে প্রশ্ন, যাচাইয়ের দাবি মঠবাড়িয়ায় চিকিৎসাসেবার প্রচারণা নিয়ে প্রশ্ন, যাচাইয়ের দাবি

স্থানীয় কয়েকজন কৃষক জানান, এ মৌসুমে উৎপাদিত ধান সরকারি গুদামে দিতে না পারায় তাদের লোকসানের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ঋণের টাকা পরিশোধ করতে গিয়ে মাসে মাসে সুদ গুনতে হচ্ছে। পরিস্থিতির পরিবর্তন না হলে আগামী মৌসুমে ইরি ধান চাষ না করার কথাও ভাবছেন অনেকে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

নলছিটির সিদ্ধকাঠী ইউনিয়নের জোয়ারআওরাবুনিয়া এলাকার কৃষক মো. হেমায়েত ইসলাম খান বলেন, তিনি প্রতিবছর ৫ থেকে ৬ বিঘা জমিতে ইরি ধান চাষ করেন। ধান ঘরে তোলার পর সরকার কৃষকদের কাছ থেকে ধান কিনে সরকারি গুদামে সংরক্ষণ করায় কিছুটা লাভের সুযোগ থাকত।

তিনি বলেন, এবারও তিনি ৫ থেকে ৬ বিঘা জমিতে ইরি ধান চাষ করেছেন। তার মতো এলাকার অনেক কৃষকই ঋণ করে ধান চাষ করেছেন। কিন্তু এবার এক মণ ধানও সরকারকে দিতে না পারায় তারা হতাশ হয়ে পড়েছেন।

কৃষকদের দাবি, উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় ঋণ নিয়ে ধান চাষ করতে হচ্ছে তাদের। তাই সরকারিভাবে ধান ক্রয়ের ব্যবস্থা করা হলে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাওয়ার পাশাপাশি ঋণের বোঝা থেকেও কিছুটা স্বস্তি পাবেন।

কৃষকরা বলেন, ‘কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে।’ তাই কোনো সিন্ডিকেট বা মধ্যস্বত্বভোগীর সুযোগ না দিয়ে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে উৎপাদিত ধান ক্রয় করে তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

শেয়ার করুন:

লেখাটি আপনার কেমন লাগলো?

মন্তব্য করতে সাইন-আপ বা লগইনের প্রয়োজন নেই - সরাসরি আপনার মতামত লিখুন।

একটি মন্তব্য লিখুন

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত