ধামইরহাটে মারামারিতে কৃষক নিহত: রাতভর অভিযানে প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ৭, চাকু উদ্ধার

  • আপলোডের সময় : Sunday, October 4, 2026,
ধামইরহাটে মারামারিতে কৃষক নিহত: রাতভর অভিযানে প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ৭, চাকু উদ্ধার
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
ধামইরহাটে মারামারিতে কৃষক নিহত: রাতভর অভিযানে প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ৭, চাকু উদ্ধার

ধামইরহাটে মারামারিতে কৃষক নিহত: রাতভর অভিযানে প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ৭, চাকু উদ্ধার

মো. জিহান বাবু
ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি

নওগাঁর ধামইরহাটে পূর্বশত্রুতা ও করলা খেতে ছাগল যাওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আবুল কাশেম নামে এক কৃষক নিহতের ঘটনায় প্রধান আসামিসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ধারালো চাকু উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার জাহানপুর ইউনিয়নের বড়শিবপুর (মাস্টারপাড়া) গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবারের সূত্রে জানা যায়, করলা খেতে ছাগল যাওয়াকে কেন্দ্র করে রনি ও আবুল কাশেমের পরিবারের মধ্যে বিরোধের একপর্যায়ে সংঘর্ষ হয়। এতে আবুল কাশেমসহ তাঁর পক্ষের পাঁচজন গুরুতর আহত হন। পরে আহতদের জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবুল কাশেমের মৃত্যু হয়।

কেশবপুরে ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে আটক, ব্যাগে মিলল কাটার সরঞ্জাম কেশবপুরে ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে আটক, ব্যাগে মিলল কাটার সরঞ্জাম

আবুল কাশেমের স্ত্রীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। অন্য আহতরা জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

এ ঘটনায় নিহতের ছেলে আবু সাঈদ হোসেন বাদী হয়ে ধামইরহাট থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

মামলা দায়েরের পর নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনায় এবং ধামইরহাট থানার ওসির নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল জয়পুরহাটের পাঁচবিবি থানার বিভিন্ন এলাকায় রাতভর অভিযান চালায়। এক রাতের মধ্যেই মামলার এজাহারভুক্ত সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন—মো. রাকিবুল ইসলাম রনি (২৮), মো. আ. হাকিম (৬০), মো. কফিল উদ্দিন (৬৫), মোসা. আকলিমা বেগম (৩৫), মোসা. হামিদা বেগম (৩৮), মোসা. ফরিদা বেগম (৫০) ও মোসা. জিয়াসমিন বেগম (২১)। তারা সবাই বড়শিবপুর (মাস্টারপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা।

ধামইরহাট থানার ওসি জানান, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাকু উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

শেয়ার করুন:

লেখাটি আপনার কেমন লাগলো?

মন্তব্য করতে সাইন-আপ বা লগইনের প্রয়োজন নেই - সরাসরি আপনার মতামত লিখুন।

একটি মন্তব্য লিখুন

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত