ঝালকাঠিতে কৈশোরকালীন সুরক্ষা ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার বিষয়ে প্রশিক্ষণ
- আপলোডের সময় : Tuesday, August 25, 2026,

ঝালকাঠিতে কৈশোরকালীন সুরক্ষা ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার বিষয়ে প্রশিক্ষণ
মোঃ সাব্বির আহমেদ
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঝালকাঠি
ঝালকাঠিতে কিশোর-কিশোরীদের কৈশোরকালীন সুরক্ষা, সুস্থ বিকাশ ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার বিষয়ে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের চলমান BMZ প্রকল্পের আওতায় ২৩ ও ২৪ আগস্ট ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাবখান-ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের সাচিলাপুর কিস্তাকাঠী স্কুল অ্যান্ড কলেজে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।
প্রশিক্ষণে কৈশোরকালীন সময়ে কিশোর-কিশোরীদের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক পরিবর্তন, নিরাপদ পরিবেশ, প্রজনন স্বাস্থ্য ও অধিকার, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, সহিংসতা থেকে সুরক্ষা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এ ছাড়া কৈশোরকালীন বিভিন্ন পরিবর্তন ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন, নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা এবং প্রয়োজনের সময় সঠিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সহায়তা নেওয়ার বিষয়ে অংশগ্রহণকারীদের ধারণা দেওয়া হয়।
দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে দলীয় আলোচনা, মতবিনিময় ও প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় পর্যায়ে সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে কিশোর-কিশোরীদের জন্য নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
প্রশিক্ষণে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকসহ ২৫ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাচিলাপুর কিস্তাকাঠী স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মো. মোসলেম আলী সিকদার, সহায়ক শিক্ষক মনিকা হাওলাদার, দি হাঙ্গার প্রজেক্টের উপজেলা সমন্বয়কারী মুনজিলা এবং ইউনিয়ন সমন্বয়কারী মো. জাকির হোসেন।
প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের ট্রেনিং ইউনিটের প্রশিক্ষক সুখময় পাল। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন ইউনিয়ন সমন্বয়কারী সাথী আক্তার।
আয়োজকরা জানান, কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও অধিকার সম্পর্কে সচেতন করে তাদের জন্য নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করাই এ প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য। প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান সহপাঠী, পরিবার ও কমিউনিটিতে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তাঁরা।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা কৈশোরবান্ধব পরিবেশ তৈরি এবং কিশোর-কিশোরীদের সুরক্ষা ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার নিশ্চিত করতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।










