জাতীয় পে-স্কেল ২০২৬ অনুমোদনের দাবি, সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা
- আপলোডের সময় : Tuesday, September 1, 2026,

জাতীয় পে-স্কেল ২০২৬ অনুমোদনের দাবি, সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা
সাজ্জাদুর রহমান
বিশেষ প্রতিনিধি, আমার সকাল ২৪
দিনাজপুর
মন্ত্রিসভার বৈঠকে জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামোতে সর্বোচ্চ গ্রেড-১-এর মূল বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা এবং সর্বনিম্ন ২০তম গ্রেডের মূল বেতন ২০ হাজার টাকা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে।
সোমবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬ অনুমোদনের পর এসব তথ্য জানা গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে দাবি করা হয়েছে।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, নতুন বেতন কাঠামোতে ১ম থেকে ১০ম গ্রেডের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। আনুপাতিক হারে বিভিন্ন ভাতাও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
নতুন জাতীয় বেতনস্কেল অনুযায়ী ১ম থেকে ২০তম—সব গ্রেডের সরকারি কর্মচারীকে মোবাইল ভাতা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে নির্দিষ্ট পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ সুবিধা পেয়ে থাকেন।
এ ছাড়া কম পেনশন পাওয়া অবসরপ্রাপ্তদের পেনশন তুলনামূলক বেশি হারে বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এতে সর্বনিম্ন পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের নিট পেনশন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
তবে নতুন বেতন কাঠামোর সব সুবিধা একসঙ্গে কার্যকর হবে না। সরকারের আর্থিক সক্ষমতা ও মূল্যস্ফীতির চাপ বিবেচনায় মূল বেতন তিন ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে। বিভিন্ন ভাতা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে একযোগে কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে। পেনশনও ধাপে ধাপে বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।
প্রায় ১১ বছর পর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। প্রস্তাবিত নতুন স্কেলটি ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হিসেবে বিবেচনা করা হলেও তা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।
সবার জন্য মোবাইল ভাতা
নতুন বেতন কাঠামোর অন্যতম উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হিসেবে মোবাইল ভাতার আওতা বাড়ানোর বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী ১ম থেকে ২০তম—সব গ্রেডের সরকারি কর্মচারী এ ভাতা পাবেন।
বর্তমানে ৫ম গ্রেড পর্যন্ত নির্দিষ্ট পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মোবাইল ভাতা পেয়ে থাকেন। সরকারি দপ্তরে ই-মেইল, অনলাইন সভা, ডিজিটাল ফাইল ব্যবস্থাপনা ও বিভিন্ন অ্যাপভিত্তিক কাজ বাড়ায় প্রায় সব পর্যায়ের কর্মচারীকেই ব্যক্তিগত মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হচ্ছে। এ বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে মোবাইল ভাতার আওতা বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে সূত্রে জানা গেছে।









