গাজায় প্রতিদিন ছড়াচ্ছে ৫৫ হাজার ঘনমিটার অপরিশোধিত বর্জ্যপানি

প্রতিনিধির নাম:
  • আপলোডের সময় : Thursday, September 3, 2026,
গাজায় প্রতিদিন ছড়াচ্ছে ৫৫ হাজার ঘনমিটার অপরিশোধিত বর্জ্যপানি
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
গাজায় প্রতিদিন ছড়াচ্ছে ৫৫ হাজার ঘনমিটার অপরিশোধিত বর্জ্যপানি

গাজায় প্রতিদিন ছড়াচ্ছে ৫৫ হাজার ঘনমিটার অপরিশোধিত বর্জ্যপানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

গাজায় পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা নজিরবিহীন সংকটের মুখে পড়েছে। প্রতিদিন প্রায় ৫৫ হাজার ঘনমিটার অপরিশোধিত বর্জ্যপানি পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি পানি কর্তৃপক্ষ। জাতীয় সম্প্রচারমাধ্যম প্যালেস্টাইন টিভির বরাতে আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতিদিন প্রায় ৪০ হাজার ঘনমিটার অপরিশোধিত বর্জ্যপানি সরাসরি সাগরে গিয়ে পড়ছে। আরও প্রায় ১৫ হাজার ঘনমিটার শোষণ গর্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত পয়ঃনিষ্কাশন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

গাজার পাঁচটি প্রধান বর্জ্যপানি শোধনাগারের সবকটিই বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। যুদ্ধের আগে থাকা প্রায় ৭৪টি পাম্পিং স্টেশনের মধ্যে মাত্র ১৮টি আংশিকভাবে চালু রয়েছে। ফলে পয়ঃনিষ্কাশন নেটওয়ার্কের আওতায় থাকা জনসংখ্যার হার ৮৫ শতাংশের বেশি থেকে কমে প্রায় ৪৫ শতাংশে নেমে এসেছে।

৯/১১ হামলার ২৫ বছর: বদলে গেছে নিউইয়র্ক, বদলে গেছে বিশ্ব ৯/১১ হামলার ২৫ বছর: বদলে গেছে নিউইয়র্ক, বদলে গেছে বিশ্ব

পানি শোধনের সক্ষমতাও ব্যাপকভাবে কমেছে। সংকটের আগে গাজার শোধনাগারগুলোর সম্মিলিত সক্ষমতা ছিল প্রতিদিন প্রায় ১ লাখ ৮৫ হাজার ঘনমিটার। বর্তমানে কার্যত তা শূন্যে নেমে এসেছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

তবে শেখ ইজলিন শোধনাগার পুনর্বাসনের কাজ চলছে। আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির সহায়তায় প্রাথমিক পর্যায়ে প্রতিদিন ২২ হাজার ঘনমিটার বর্জ্যপানি শোধনের সক্ষমতা ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। পরবর্তী সময়ে এ সক্ষমতা বাড়িয়ে প্রায় ৬৫ হাজার ঘনমিটারে নেওয়া সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সংকট মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি, পানির পাম্প, জেনারেটর, যন্ত্রাংশ ও ভারী সরঞ্জাম প্রয়োজন বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি পানি কর্তৃপক্ষ।

কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে বলেছে, অপরিশোধিত বর্জ্যপানি এভাবে অব্যাহতভাবে পরিবেশ ও সাগরে পড়তে থাকলে জনস্বাস্থ্য এবং সামুদ্রিক পরিবেশের ওপর গুরুতর প্রভাব পড়তে পারে।

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত