গতিশীল নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে বান্দরবান জেলা পরিষদের দপ্তর পুনর্বিন্যাস
- আপলোডের সময় : Tuesday, September 8, 2026,

গতিশীল নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে বান্দরবান জেলা পরিষদের দপ্তর পুনর্বিন্যাস
স্টাফ রিপোর্টার, বান্দরবান | সুকেল তঞ্চঙ্গ্যা
বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের হস্তান্তরিত সরকারি বিভাগ ও দপ্তরগুলোর কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সুশৃঙ্খল করার লক্ষ্যে পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের মধ্যে নতুন করে দাপ্তরিক দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। সম্প্রতি পরিষদের চেয়ারম্যান মাম্যাচিং স্বাক্ষরিত এক অফিস স্মারকের মাধ্যমে এ আদেশ জারি করা হয়।
১৯৮৯ সালের বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ আইনের ২৭ ধারা অনুযায়ী নতুন করে এ দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। হস্তান্তরিত বিভাগগুলোর তদারকি ও সমন্বয় আরও জোরদার করতে পূর্বে জারি করা সব আদেশ বাতিল করে নতুন এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আগামী ১৮০ দিন পর দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়টি পুনর্মূল্যায়ন করা হবে।
নতুন দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, পর্যটনসহ জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতের তদারকির দায়িত্ব নির্দিষ্ট চেয়ারম্যান ও সদস্যদের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।
পরিষদের চেয়ারম্যান মাম্যাচিং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের দায়িত্ব পালন করবেন। মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগ ও স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের দায়িত্ব পেয়েছেন সদস্য মশিউর রহমান। স্বাস্থ্য বিভাগ ও জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সদস্য লুসাই মং মার্মাকে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও হর্টিকালচার সেন্টারের দায়িত্ব পেয়েছেন মাওসেতুং তঞ্চঙ্গ্যা। মৎস্য ও ক্রীড়া বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন চংনু মং মার্মা। প্রাণিসম্পদ ও পরিসংখ্যান বিভাগের দায়িত্ব পেয়েছেন মং ক্যনু মারমা।
তুলা উন্নয়ন বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অগাস্টিন ত্রিপুরাকে। বিসিক এবং বিএডিসির সেচ ও বীজ বিতরণ কার্যক্রম তদারক করবেন অবদুল মাবুদ। পর্যটন ব্যবস্থাপনা ও সরকারি গণগ্রন্থাগারের দায়িত্ব পালন করবেন রিয়াল দাও বম।
জেলা শিল্পকলা একাডেমি ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের দায়িত্ব পেয়েছেন অংশ্যাই উ প্রু চাক। সমাজসেবা বিভাগ ও বাজারফান্ড সংস্থার দায়িত্বে রয়েছেন মোহাম্মদ জসীম উদ্দীন। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের দায়িত্ব পেয়েছেন কাউ প্রু থোয়াই।
এ ছাড়া সমবায় বিভাগের দায়িত্ব উম্যাচিং, সরকারি শিশু পরিবারের দায়িত্ব কাজী নিরুতাজ বেগম এবং ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্ট ও কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রের দায়িত্ব দনওয়াই ম্রোর ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, দপ্তরভিত্তিক সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব বণ্টনের ফলে তৃণমূল পর্যায়ে নাগরিক সেবা আরও জোরদার হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের তদারকি, সমন্বয় ও সফল বাস্তবায়নেও এ উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।



















লেখাটি আপনার কেমন লাগলো?
মন্তব্য করতে সাইন-আপ বা লগইনের প্রয়োজন নেই - সরাসরি আপনার মতামত লিখুন।