ওবায়দুল কাদেরের সম্পদ কত, হলফনামায় যা উল্লেখ করেছিলেন

প্রতিনিধির নাম:
  • আপলোডের সময় : Tuesday, September 15, 2026,
ওবায়দুল কাদেরের সম্পদ কত, হলফনামায় যা উল্লেখ করেছিলেন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
ওবায়দুল কাদেরের সম্পদ কত, হলফনামায় যা উল্লেখ করেছিলেন

ওবায়দুল কাদেরের সম্পদ কত, হলফনামায় যা উল্লেখ করেছিলেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
আমার সকাল ২৪

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। রায়ে বলা হয়েছে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক।

রায়ে ওবায়দুল কাদের, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, শেখ ফজলে শামস পরশ ও মাইনুল হোসেন খান নিখিলের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের অর্ধেক বাজেয়াপ্তের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

রায়ের পর আলোচনায় এসেছে ওবায়দুল কাদেরের ঘোষিত সম্পদের পরিমাণ। ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৫ আসনের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, তখন তার মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের মূল্য ছিল প্রায় ৩ কোটি ৭৪ লাখ টাকা।

হলফনামা অনুযায়ী, ওবায়দুল কাদেরের হাতে নগদ ছিল ৮০ হাজার টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ছিল প্রায় ৭৬ লাখ টাকা। এ ছাড়া সঞ্চয়পত্রে ছিল প্রায় দেড় কোটি টাকা।

হাইকোর্টের নির্দেশনা বাস্তবায়নে বুড়িগঙ্গা নদীতীর পরিদর্শনে বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান হাইকোর্টের নির্দেশনা বাস্তবায়নে বুড়িগঙ্গা নদীতীর পরিদর্শনে বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান

একটি গাড়ির মূল্য দেখানো হয়েছিল ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ২৫ তোলা সোনার মূল্য দেখানো হয় দেড় লাখ টাকা। পাশাপাশি ৯ লাখ ২০ হাজার টাকার ইলেকট্রনিকস সামগ্রী এবং ৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকার আসবাবপত্র থাকার তথ্যও হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছিল।

সব মিলিয়ে তার অস্থাবর সম্পদের মূল্য দেখানো হয়েছিল প্রায় ৩ কোটি ২৩ লাখ টাকা।

স্থাবর সম্পদের মধ্যে ঢাকার উত্তরায় পাঁচ কাঠা জমির তথ্য উল্লেখ করেছিলেন তিনি। ওই জমির মূল্য হলফনামায় দেখানো হয়েছিল প্রায় ৫১ লাখ টাকা। এ হিসাবে স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে তার ঘোষিত মোট সম্পদের মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ৩ কোটি ৭৪ লাখ টাকা।

হলফনামায় ওবায়দুল কাদেরের বার্ষিক আয়ের তথ্যও উল্লেখ করা হয়েছিল। বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, দোকান বা অন্যান্য সম্পত্তির ভাড়া থেকে বার্ষিক আয় দেখানো হয় ১৪ লাখ ২৪ হাজার ৯২৪ টাকা। শেয়ার, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানত থেকে আয় দেখানো হয়েছিল ৬ লাখ ৯৭ হাজার ২৮৪ টাকা।

পেশাগত আয় হিসেবে ১২ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং অন্যান্য উৎস, অর্থাৎ বই লিখে আয় হিসেবে ৪ লাখ ২৫ হাজার ৩০০ টাকা দেখানো হয়েছিল। মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য হিসেবে সম্মানী পাওয়ার পাশাপাশি বই ও পত্রপত্রিকায় লেখালেখি থেকে আয়ের তথ্যও হলফনামায় উল্লেখ করেছিলেন তিনি।

হলফনামায় তার ওপর নির্ভরশীলদের বিভিন্ন খাতের আয় ও সম্পদের তথ্যও দেওয়া হয়েছিল। তবে নিজের ঘোষিত সম্পদের হিসাব অনুযায়ী, ওবায়দুল কাদেরের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের মোট মূল্য ছিল প্রায় ৩ কোটি ৭৪ লাখ টাকা।

ট্রাইব্যুনালের রায়ের ফলে ২০২৪ সালের নির্বাচনী হলফনামায় ঘোষিত ওই সম্পদের অর্ধেক বাজেয়াপ্তের আওতায় পড়বে।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই রায়ে তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্তের আদেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি জুলাই ফাউন্ডেশন বা অন্য কোনো বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দেওয়ারও আদেশ দেওয়া হয়েছিল।

শেয়ার করুন:

লেখাটি আপনার কেমন লাগলো?

মন্তব্য করতে সাইন-আপ বা লগইনের প্রয়োজন নেই - সরাসরি আপনার মতামত লিখুন।

একটি মন্তব্য লিখুন

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত