
প্রতিবেদক: তৌহিদ ইসলাম, ঢাকা
আমার দেশ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার ও জাতীয় যুবশক্তি এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ আসাদুল্লাহকে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি রাতে পাবনা থেকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, পাবনার সুজানগর এলাকা থেকে তাকে তুলে নেয় স্থানীয় থানা পুলিশ। আসাদুল্লাহর স্ত্রী গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অভিযোগ রয়েছে, নির্বাচনে জামায়াত-এনসিপি ও গণভোটের পক্ষে প্রচার-প্রচারণা চালানোয় স্থানীয় বিএনপির একটি অংশ তার ওপর ক্ষুব্ধ ছিল। সুজানগর বিএনপির কয়েকজন নেতার ইন্ধনে একটি ‘ষড়যন্ত্রমূলক’ রাজনৈতিক মামলা দেখিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি জুলাই আন্দোলনের সময় দায়ের হওয়া একটি মামলায়ও তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।
গ্রেপ্তারের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের নানা দিক তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, কিশোর বয়স থেকেই রাজপথের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং বিভিন্ন সময় হামলা, নির্যাতন ও মামলার মুখোমুখি হয়েছেন।
তিনি দাবি করেন, ২০০৬ সাল থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংঘাতে সরাসরি অংশ নিয়েছেন এবং প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও নিজের অবস্থানে অটল ছিলেন। ২০১৩ সালে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের মুখোমুখি জেরা ও চাপের কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
সাম্প্রতিক জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জীবনঝুঁকি নিয়ে মাঠে অবস্থান করেছেন এবং সহিংস পরিস্থিতির সাক্ষী হয়েছেন। রাজনৈতিক আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস না করার কথাও নিজের বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন তিনি। ব্যক্তিগত সুবিধার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তা প্রত্যাখ্যান করেছেন বলেও দাবি করেন।
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। ঘটনাটি রাজনৈতিক ও সাংবাদিক মহলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।